প্রশ্নের বর্ণনা

a সুশ্রী
b সফল
c জেলে
d মহাত্মা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জেলে ১. কেন সঠিক: - জেলে শব্দটি জল যোগ ইয়া প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে, যেখানে জল হলো বিশেষ্য পদ এবং ইয়া হলো তদ্ধিত প্রত্যয়। - মূল শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠনের এই প্রক্রিয়াটি বাংলা ব্যাকরণের প্রত্যয় সাধিত শব্দের অন্তর্ভুক্ত। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে শব্দ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপদিকের পরে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে, তাকে প্রত্যয় বলে। - শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হলে তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সঙ্গে যুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা যোগ আই = ঢাকাই ব্যাখ্যা: এটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ, যা স্থান বা উৎপত্তিমূলক বিশেষণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ফুল যোগ আড়ি = ফুলুরি ব্যাখ্যা: এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের সাহায্যে গঠিত শব্দ, যা বিশেষ্য পদের সঙ্গে প্রত্যয় যোগে সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুশ্রী — এটি উপসর্গ সাধিত বা সমাসবদ্ধ শব্দ হতে পারে, যেখানে সু উপসর্গ বা ভালো শ্রী যার বহুবৃহি সমাস বোঝায়। B) সফল — এটি সহ যোগ ফল যুক্ত হয়ে গঠিত উপসর্গ সাধিত বা অব্যয়ীভাব সমাসের শব্দ, যা প্রত্যয় সাধিত নয়। D) মহাত্মা — এটি মহান যে আত্মা কর্মধারয় সমাসের সাহায্যে গঠিত একটি শব্দ, প্রত্যয় দ্বারা গঠিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কোনো শব্দের শেষে যদি ইয়া বা উয়া প্রত্যয় যুক্ত হয়ে পেশা বা বৃত্তি বোঝায়, তবে তা সাধারণত প্রত্যয় সাধিত শব্দ হয়। - ধাতুর সঙ্গে যা যুক্ত হয় তা কৃৎ প্রত্যয় এবং শব্দের সঙ্গে যা যুক্ত হয় তা তদ্ধিত প্রত্যয় নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দ কোন প্রক্রিয়ায় সাধিত হয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়। - তাই শব্দ ভাঙার সময় প্রকৃতি ও প্রত্যয় সঠিকভাবে নির্ণয় করার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0