প্রশ্নের বর্ণনা

a নির্মলেন্দু গুন
b শামসুর রহমান
c রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d মহাদেব সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে একটি বিখ্যাত কবিতার পঙ্ক্তি তুলে ধরে এর রচয়িতাকে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। - ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরনো শকুন’ পঙ্ক্তিটি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বহুল আলোচিত ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার অংশ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন আশির দশকের একজন প্রথিতযশা প্রতিবাদী কবি ও গীতিকার যিনি তার তারুণদীপ্ত ও দ্রোহের কবিতার জন্য পরিচিত। - ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতাটি মূলত যুদ্ধাপরাধী ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির পুনরুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি তীব্র প্রতিবাদী কবিতা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়—চলে যাওয়া মানে বিচ্ছেদ নয়’ ব্যাখ্যা: এটিও রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত পঙ্ক্তি যা তার কাব্যিক স্বকক্ষতাকে ফুটিয়ে তোলে। উদাহরণ ২: ‘আজকে যাদের রক্তে কেনা নতুন এই বাংলা, তাদের রক্তে রাঙিয়ে দিল হায়েনার দল পালা’ ব্যাখ্যা: এটিও স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের ভাবনায় রচিত রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অন্য একটি পঙ্ক্তির স্মরণীয় ব্যবহার। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নির্মলেন্দু গুন — এই কবির উল্লেখযোগ্য কবিতার মধ্যে ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ’ বা ‘হুলিয়া’ থাকলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটি তার নয়। B) শামসুর রহমান — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই নির্দিষ্ট পঙ্ক্তিটি তার কোনো কবিতায় নেই। C) রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি তার ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার বিখ্যাত পঙ্ক্তি। D) মহাদেব সাহা — তিনি প্রেমের ও স্মৃতিকাতরতার কবিতার জন্য পরিচিত হলেও আলোচ্য পঙ্ক্তিটির রচয়িতা তিনি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাতাসে লাশের গন্ধ পেলেই বুঝতে হবে সেখানে রুদ্রের দ্রোহের আগুন জ্বলছে। - শকুন ও পতাকার রূপকটি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর কবিতাতেই সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতার কবি প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত প্রতিবাদী পঙ্ক্তিগুলোর রচয়িতা মনে রাখতে কবির মূল সুর ও লেখার ধরণ খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0