প্রশ্নের বর্ণনা

a মহীয়সী যে নদী
b মহৎ যে নদী
c মহতী যে নদী
d মহান যে নদী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মহান যে নদী ১. কেন সঠিক: 'মহানদী' শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো মহান যে নদী। এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে একটি পদ গঠন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে 'মহান' বিশেষণ পদটি নদী বিশেষ্য পদের দোষ গুণ বা মহত্ত্ব প্রকাশ করছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি কর্মধারয় সমাসের আরেকটি উদাহরণ। উদাহরণ ২: মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহান যে ঋষি, এটিও কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহীয়সী যে নদী — মহীয়সী শব্দটি সাধারণত স্ত্রীলিঙ্গে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নদী শব্দের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম প্রযোজ্য। তাই এই ব্যাসবাক্যটি সঠিক নয়। B) মহৎ যে নদী — মহৎ শব্দটি পুংলিঙ্গে বা নিরপেক্ষ অর্থে ব্যবহৃত হলেও নদীর ক্ষেত্রে মহান রূপটি অধিকতর প্রমিত ও ব্যাকরণসম্মত। C) মহতী যে নদী — মহতী শব্দটি স্ত্রীলিঙ্গের ক্ষেত্রে বিশেষ বিশেষ শব্দের পূর্বে বসে, যেমন মহতী সভা। নদীর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। D) মহান যে নদী — এই অপশনটি সঠিক কারণ মহান শব্দটির সঙ্গে নদী শব্দের মেলবন্ধন ব্যাকরণগতভাবে নিখুঁত। ৫. মনে রাখার টিপস: নদী শব্দের পূর্বে সাধারণ বিশেষণ হিসেবে মহান যুক্ত হলে তা কর্মধারয় সমাস হয়। পরীক্ষার হলে ব্যাসবাক্য নির্ণয়ের সময় শব্দের লিঙ্গ ও রূপের মিল দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের নির্ণয় প্রায়ই আসে। বিশেষ করে মহান বা মহৎ যুক্ত শব্দগুলোর ব্যাসবাক্য ভালোভাবে অনুশীলন করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0