প্রশ্নের বর্ণনা

a বাঁশি
b জলধি
c কর্তব্য
d মহাযাত্রা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাঁশি ১. কেন সঠিক: - বাঁশি শব্দটির উৎপত্তি বাঁশ যোগ ই প্রত্যয় যোগে হলেও এটি মূল শব্দের বা প্রত্যয়ের অর্থের সরাসরি অনুগামী না হয়ে একটি বিশেষ বাদ্যযন্ত্রকে বোঝায়। - ব্যুৎপত্তিগত অর্থ বাঁশ দিয়ে তৈরি যেকোনো বস্তু হলেও রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দের নিয়মানুযায়ী এটি একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা শব্দের শ্রেণিবিভাগের অন্যতম একটি হলো রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ, যা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে। - প্রচলিত অর্থে ধাতু বা প্রাতিপদিকের সঙ্গে প্রত্যয় বা উপসর্গ যুক্ত হয়ে যদি শব্দের অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে বরং অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ পায়, তবে তাকে রূঢ় শব্দ বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহপদার্থ তেল বা তৈল হলেও রূঢ় অর্থে কেবল তিলের স্নেহপদার্থকেই বোঝায়। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গো শব্দের অর্থ গরু এবং গবেষণা শব্দের উৎপত্তি গো যোগ এষণা অর্থাৎ গরু খোঁজা হলেও বর্তমানে এটি কোনো বিষয়ে ব্যাপক অনুসন্ধান বা অধ্যায়নকে বোঝায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাঁশি — এটি একটি রূঢ় শব্দ, তাই এটি সঠিক উত্তর। B) জলধি — এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ কারণ এটি সমাসবদ্ধ হয়ে জল ধারণ করে এমন সব কিছু না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট করে সমুদ্রকে বোঝায়। C) কর্তব্য — এটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত যোগ্য শব্দ যার অর্থ যা করা উচিত এবং এটি মূলত মূল ধাতু ও প্রত্যয়ের অর্থই বহন করে। D) মহাযাত্রা — এটি একটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসবদ্ধ শব্দ যার অর্থ বড় বা মহান যাত্রা এবং এর অর্থ কোনো বিশেষ অর্থে পরিবর্তিত হয়নি। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূঢ় শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো মাথায় রাখা যে এই শব্দগুলোর উৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে মিল থাকে না বরং একটি বিশেষ অর্থ ঠিক হয়। - বাঁশি, তৈল, গবেষণা, সন্দেশ, হস্তী এই শব্দগুলো বারবার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, তাই এগুলো আলাদা করে মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দের পার্থক্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - যৌগিক, রূঢ় এবং যোগরূঢ় শব্দ চেনার জন্য শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের তুলনা করে দেখতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0