প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b বিহারীলাল
c হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
d মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘চিন্তা তরঙ্গিনী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন উনবিংশ শতকের বিশিষ্ট কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। - ১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্য এবং এর মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজগতে খ্যাতি অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের পরবর্তী যুগের অন্যতম প্রধান দেশপ্রেমিক ও মহাকবি। - তার কাব্যে দেশপ্রেম, মানবতাবাদ এবং জাতীয়তাবাদী চেতনার জোরালো প্রকাশ ঘটেছে যা তৎকালীন সমাজকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘বৃত্রসংহার’ মহাকাব্য ব্যাখ্যা: এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত পৌরাণিক ও দেশপ্রেমমূলক মহাকাব্য। উদাহরণ ২: ‘ভারতসঙ্গীত’ কবিতা ব্যাখ্যা: এটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দেশাত্মবোধক কবিতা যা পরাধীন ভারতের যুবসমাজকে জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি হলেও ‘চিন্তা তরঙ্গিনী’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। B) বিহারীলাল — তিনি ‘ভোরর রবি’ ও ভাববাদী গীতিকবিতার জন্য পরিচিত হলেও এই কাব্যগ্রন্থটি তার নয়। C) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর সপক্ষে উপযুক্ত সাহিত্যিক প্রমাণ রয়েছে। D) মাইকেল মধুসূদন দত্ত — তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেও এই গ্রন্থটি তার রচিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম কাব্য ‘চিন্তা তরঙ্গিনী’ মনে রাখতে ‘হেমচন্দ্রের প্রথম চিন্তা তরঙ্গিনী’ এভাবে মনে রাখতে পারো। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম কাব্য হিসেবে এটি প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কোনো কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। - একই রকমভাবে অন্য কবিদের প্রথম কাব্য বা সাহিত্যকর্মগুলোর তালিকা আলাদা করে পড়ে নেওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0