প্রশ্নের বর্ণনা

a নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
b শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ
c চন্দ্রসুধর্ম
d মাগন ঠাকুর
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ ১. কেন সঠিক: মালাধর বসুকে 'গুণরাজ খান' উপাধি প্রদান করেন বাংলার সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাজকীয় বা সুলতানি উপাধি লাভ করা কবি ও লেখকদের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মালাধর বসু পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি যিনি ভাগলপুর বা বর্ধমান অঞ্চলের কুলীনগ্রামের নিবাসী ছিলেন। তিনি সুলতানের নির্দেশ বা পৃষ্ঠপোষকতায় শ্রীকৃষ্ণবিজয় কাব্য রচনা করেন যা বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের ধারার অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কৃত্তিবাস ওজা ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের কবি কৃত্তিবাস ওজা বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করেন এবং তিনি সমসাময়িক শাসক বা গৌড়ের সুলতানের কাছ থেকে বিশেষ সম্মান লাভ করেছিলেন। উদাহরণ ২: চণ্ডীদাস ব্যাখ্যা: পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা হিসেবে মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য সমৃদ্ধ করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র — রাজা কৃষ্ণচন্দ্র অষ্টাদশ শতাব্দীর রাজা ছিলেন যিনি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে উপাধি দিয়েছিলেন, মালাধর বসুকে নন। B) শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি রয়েছে। C) চন্দ্রসুধর্ম — এই নামের কোনো ঐতিহাসিক শাসক মালাধর বসুকে কোনো উপাধি প্রদান করেননি। D) মাগন ঠাকুর — মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার মন্ত্রী ছিলেন যিনি কবি আলাওলকে পদ্মাবতী রচনায় পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: মালাধর বসু গুণরাজ খান উপাধি পান সুলতান শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের কাছ থেকে, যা মনে রাখতে নামের প্রথম অক্ষর বা সুলতানের উপাধি মেলাতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ও অনুবাদ সাহিত্যের কবিদের উপাধি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক সুলতানদের নাম বিসিএস ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0