প্রশ্নের বর্ণনা

a হিন্দুধর্ম
b বৌদ্ধধর্ম
c বৈষ্ণবধর্ম
d মানবধর্ম
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বৈষ্ণবধর্ম ১. কেন সঠিক: শ্রী চৈতন্যদেব মূলত প্রেম ও ভক্তির ওপর ভিত্তি করে বৈষ্ণবধর্মের প্রচার ও প্রসার করেছিলেন। তাঁর প্রচারিত এই মতবাদ গৌড়ীয় বৈষ্ণববাদ নামে পরিচিত এবং এর মূল মন্ত্র ছিল নামসংকীর্তন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শ্রী চৈতন্যদেব ছিলেন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের চৈতন্যযুগের বা ভক্তি আন্দোলনের প্রধান পুরুষ। তিনি কোনো কাব্য রচনা না করলেও বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে তাঁর প্রভাব অপরিসীম এবং তাঁকে কেন্দ্র করে বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্য গড়ে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: এটি শ্রী চৈতন্যদেবের জীবন ও দর্শনের ওপর রচিত কৃষ্ণদাস কবিরাজের বিখ্যাত একটি জীবনীগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বৈষ্ণব পদাবলী ব্যাখ্যা: শ্রী চৈতন্যদেবের ভক্তিভাব দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে কবি চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি ও জ্ঞানদাসসহ অনেকেই বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হিন্দুধর্ম — শ্রী চৈতন্যদেব সনাতন হিন্দুধর্মের একটি নির্দিষ্ট ধারা অর্থাৎ বৈষ্ণব মত প্রচার করেছিলেন, কেবল সামগ্রিক হিন্দুধর্ম নয়। B) বৌদ্ধধর্ম — শ্রী চৈতন্যদেব বৈদিক ও ভক্তিপন্থী ভাবধারার অনুসারী ছিলেন, বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে তাঁর প্রচারিত মতবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। C) বৈষ্ণবধর্ম — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি বাংলায় ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেছিলেন। D) মানবধর্ম — মানবধর্ম একটি সার্বজনীন দার্শনিক ধারণা, যা চৈতন্যদেবের প্রচারিত নির্দিষ্ট বৈষ্ণব ধর্মের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: শ্রী চৈতন্যদেব মানেই ভক্তি ও প্রেম, তাই তিনি বৈষ্ণবধর্মের প্রচারক হিসেবে পরিচিত। চৈতন্যদেব ও বৈষ্ণব শব্দ দুটি মধ্যযুগের সাহিত্যে একে অপরের পরিপূরক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রী চৈতন্যদেবের আবির্ভাবকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে যে চৈতন্যদেব কোন ধর্মের প্রবারক বা প্রচারক ছিলেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0