প্রশ্নের বর্ণনা

a সিংহলি
b বর্মি
c গুজরাটি
d মারাঠি
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মারাঠি ১. কেন সঠিক: - ‘বর্গি’ শব্দটি মারাঠি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - অষ্টাদশ শতাব্দীতে মারাঠা সওয়ারি বা অশ্বারোহী সৈন্যরা বাংলায় আক্রমণ ও লুটতরাজ চালাত, যাদের বর্গি বলা হতো। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী ভাষার শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে, যার মধ্যে মারাঠি ভাষা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বর্গি এল দেশে। ব্যাখ্যা: ঐতিহাসিক লুটতরাজকারী মারাঠা সৈন্যদের বোঝাতে এই ঐতিহাসিক শব্দটি বাংলায় ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: বর্গি হাঙ্গামা। ব্যাখ্যা: বাংলার ইতিহাসে বর্গি আক্রমণ একটি বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নির্দেশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সিংহলি — সিংহলি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় আসলেও ‘বর্গি’ শব্দটি এই ভাষা থেকে আসেনি। B) বর্মি — মায়ানমার বা বর্মি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় কিছু শব্দ এলেও ‘বর্গি’ তার অন্তর্ভুক্ত নয়। C) গুজরাটি — গুজরাটি ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলায় প্রচলিত থাকলেও ‘বর্গি’ এই ভাষার শব্দ নয়। D) মারাঠি — মারাঠি ভাষা থেকে আগত সঠিক ঐতিহাসিক শব্দ হওয়ায় এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মারাঠার বর্গি মনে রাখতে পারেন। মারাঠা ও বর্গি শব্দ দুটি ঐতিহাসিক কারণে একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ঐতিহাসিক বা আঞ্চলিক পটভূমিযুক্ত শব্দের উৎস ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0