প্রশ্নের বর্ণনা

a নভেম্বর ২০, ২০০২
b ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
c জানুয়ারি ৭, ২০০৩
d মার্চ ২৩, ২০০৩
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ ১. কেন সঠিক: প্রথম ক্লোন শিশু ইভার জন্ম তারিখ হলো ২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর। বিজ্ঞানের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা যা চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ক্লোনিং প্রযুক্তির অগ্রযাত্রাকে নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি সাধারণ জ্ঞান ও বিজ্ঞান বিষয়ক ইতিহাসের অন্তর্ভুক্ত। মার্কিন ক্লোনিং প্রতিষ্ঠান ক্লোনএইড এর গবেষক ব্রিজিত বুয়াসেল এই শিশুটির জন্মের ঘোষণা দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডলি ভেড়া ব্যাখ্যা: প্রথম সফলভাবে ক্লোন করা স্তন্যপায়ী প্রাণী হলো ডলি ভেড়া যার জন্ম হয়েছিল ১৯৯৬ সালে। উদাহরণ ২: সাকিয়া ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রথম ক্লোন করা গরু যার জন্ম হয় ২০১২ সালে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নভেম্বর ২০, ২০০২ - এই তারিখে কোনো বিশ্বখ্যাত ক্লোন শিশুর জন্ম হয়নি। এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন। B) ডিসেম্বর ২৬, ২০০২ - এটি সঠিক উত্তরের সাল ও তারিখ। C) জানুয়ারি ৭, ২০০৩ - এই তারিখে ক্লোন শিশু ইভার জন্মের কোনো ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই। D) মার্চ ২৩, ২০০৩ - এটি ইভার জন্ম তারিখের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ক্লোন শিশু ইভার জন্ম সাল মনে রাখতে শেষের দুই অঙ্ক শূন্য দুই মনে রাখতে পারো। ক্রিসমাসের ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর ইভার জন্ম হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিশ্বের প্রথম ক্লোন শিশু সংক্রান্ত প্রশ্ন বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রায়ই আসে। ক্লোনিং প্রযুক্তির আবিষ্কারক ও প্রথম ক্লোন প্রাণীর নামও জেনে রাখা ভালো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0