প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c জসীমউদ্দীন
d মাহবুব-উল-আলম চোধুরী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - আমাদের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটির রচয়ীতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে স্বদেশী গান হিসেবে এটি রচিত হয়েছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা এবং নোবেলজয়ী প্রথম এশীয় সাহিত্যিক। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতার পক্ষে প্রেরণা হিসেবে এই গানটিকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে' ব্যাখ্যা: এটি ভারতের জাতীয় সংগীত এবং এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা। উদাহরণ ২: 'আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে' ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি জনপ্রিয় গণসংগীত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি সঠিক। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলাদেশের জাতীয় কবি, তবে আমাদের জাতীয় সংগীতের রচয়ীতা নন। C) জসীমউদ্দীন — তিনি পল্লীকবি নামে পরিচিত এবং বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নকশী কাথার মাঠের রচয়ীতা, জাতীয় সংগীতের রচয়ীতা নন। D) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী — তিনি অমর একুশের প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'-র রচয়ীতা, জাতীয় সংগীতের নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - জাতীয় সংগীত (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) এবং জাতীয় কবি (কাজী নজরুল ইসলাম) গুলিয়ে ফেলবেন না। - মনে রাখুন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়ীতা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের প্রথম ১০ চরণ জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়। - গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0