প্রশ্নের বর্ণনা

a কপট গাম্ভীর্য
b চাটুকারিতা
c পরিপাটি থাকা
d মিথ্যা বলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চাটুকারিতা ১. কেন সঠিক: - 'ধামাধরা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যার অর্থ তোষামোদি করা বা চাটুকারিতা করা। - সমাজে কারো অন্ধানুগামী হওয়া বা অন্যায়ভাবে প্রশংসা করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো বিশেষ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থ প্রকাশ করে। - ধামাধরা শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অন্যের অনুগ্রহ লাভের আশায় অতিরিক্ত তোষামোদি করার অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অফিসের বড়কর্তার সামনে সবসময় ধামাধরা লোকদের ভিড় লেগেই থাকে। ব্যাখ্যা: এখানে বড়কর্তার অন্ধানুগামী বা তোষামোদি করার অর্থে ধামাধরা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কারও ধামাধরা হয়ে চলা আত্মসম্মানের পরিপন্থী। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে তোষামোদি করার প্রবৃত্তি বোঝাতে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কপট গাম্ভীর্য — এটি 'গোমড়ামুখ' বা 'বেড়াল তপস্বী' বাগধারার অর্থ প্রকাশ করে, ধামাধরার অর্থ নয়। B) চাটুকারিতা — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং ধামাধরা বাগধারাটির উপযুক্ত অর্থ প্রকাশ করে। C) পরিপাটি থাকা — এটি পরিচ্ছন্ন বা সুন্দরভাবে গোছানো থাকা বোঝায়, যা ধামাধরা শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) মিথ্যা বলা — এটি 'কথার কথা' বা অসত্য তথ্য প্রকাশ করা বোঝায়, চাটুকারিতা বা তোষামোদি বোঝায় না। ৫. মনে রাখার টিপস: - ধামা মানে ঝুড়ি বা পাত্র বহন করা, আর যে অন্যের সব কাজে বিনা বিচারে ধামা বয়ে বেড়ায় বা সমর্থন জোগায় সে হলো ধামাধরা বা চাটুকার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানবস্বভাব ও চরিত্রগত বৈশিষ্ট্য নির্দেশক বাগধারাগুলো বারবার আসে। - তোষামোদি বা চাটুকারিতা বোঝাতে ধামাধরা ছাড়াও মুসাদ্দেক, তোষামোদকারী বা চামচামি শব্দগুলোও মনে রাখতে পারো।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0