প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাশ্বেতা দেবী
b অরুন্ধতী রায়
c মৈত্রেয় দেবী
d মির্জা ইলিয়াছ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৈত্রেয় দেবী ১. কেন সঠিক: - 'ন হন্যতে' উপন্যাসটির রচয়িতা মৈত্রেয় দেবী এবং এটি ১৯৭৬ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। - এই উপন্যাসে লেখিকার জীবনের এক গভীর প্রেমের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও রোমান্টিক পটভূমি অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মৈত্রেয় দেবী বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও কবি যিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্নেহধন্য ছিলেন এবং তার সঙ্গে তার একটি বিশেষ সুসম্পর্ক ছিল। - 'ন হন্যতে' একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস যা মূলত রোমানিয়ান দার্শনিক ও লেখক মিরচিয়া এলিয়াদে এর সাথে তার যৌবনের প্রেমের সম্পর্কের স্মৃতিচারণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৈত্রেয় দেবী রচিত আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ 'রবীন্দ্রনাথকে যেমন দেখেছি'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে তার ব্যক্তিগত স্মৃতি ও সান্নিধ্যের নানা দিক সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: মিরচিয়া এলিয়াদে এর উপন্যাস 'মৈত্রেয়ী'। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসটি মৈত্রেয় দেবীর জীবনের ঘটনা অবলম্বনে রচিত এবং 'ন হন্যতে' মূলত এই উপন্যাসেরই জবাব বা প্রতিউত্তর হিসেবে লেখা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাশ্বেতা দেবী — মহাশ্বেতা দেবী একজন প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক ও অধিকার আন্দোলনকর্মী, তবে 'ন হন্যতে' তার লেখা নয়। B) অরুন্ধতী রায় — অরুন্ধতী রায় 'দ্য গড অফ স্মল থিংস' উপন্যাসের জন্য বুকার পুরস্কার জয়ী লেখক, কিন্তু তিনি 'ন হন্যতে' রচনা করেননি। C) মৈত্রেয় দেবী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর পক্ষে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। D) মির্জা ইলিয়াছ — মির্জা ইলিয়াছ কোনো প্রখ্যাত সাহিত্যিক নন যিনি এই একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাসটি লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মৈত্রেয় দেবীর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক প্রেমের উপন্যাস হলো 'ন হন্যতে' যা ১৯৭৬ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পায়। - 'ন হন্যতে' মানে যা ধ্বংস হয় না, আর অমর প্রেমের স্মৃতি কখনো ধ্বংস হয় না এভাবে মনে রাখতে পারেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত উপন্যাসের রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। - বিদেশি লেখকের উপন্যাসের বিপরীতে রচিত সাহিত্যকর্ম এবং এর পুরস্কার প্রাপ্তির সালগুলো ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0