প্রশ্নের বর্ণনা

a সরল
b যৌগিক
c জটিল
d মিশ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জটিল ১. কেন সঠিক: - যে বাক্যে একটি প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। - প্রদত্ত বাক্যে 'যখন তোমার হাতে টাকা হবে' অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'তখন আমাকে দিও' অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য, যা সাপেক্ষ সর্বনাম জোড় দিয়ে যুক্ত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যিনি-তিনি, যা-তা, যদি-তবে, যখন-তখন, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ শব্দ বা সংযোগ ব্যবহৃত হয়। - এই বাক্যে যখন এবং তখন জোড় ব্যবহার করে শর্ত ও সময়ের সম্পর্ক প্রকাশ করা হয়েছে, যা জটিল বাক্যের অন্যতম প্রধান লক্ষণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব। ব্যাখ্যা: এখানে যদি-তবে সাপেক্ষ শব্দ যুক্ত হয়ে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করেছে। উদাহরণ ২: যারা পরিশ্রম করে, তারাই সফল হয়। ব্যাখ্যা: এখানে যারা-তারাই সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহার করায় এটি জটিল বাক্যের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, কিন্তু এই বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) যৌগিক — যৌগিক বাক্যে দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে, এখানে তা নেই। D) মিশ্র — যদিও জটিল বাক্যের অপর নাম মিশ্র বাক্য, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ব্যাকরণে সাধারণত জটিল অপশনটিকেই প্রমিত উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যের মধ্যে যদি, তবে, যিনি, তিনি, যা, তা, যখন, তখন দেখতে পেলে চোখ বন্ধ করে তাকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। - দুটি স্বাধীন বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকলে তা যৌগিক বাক্য এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকলে তা সরল বাক্য হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয়ের জোড়গুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে জটিল বাক্য খুব সহজেই চেনা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0