প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রভাকর
b দিবাকর
c সুধাকর
d মিহির
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুধাকর ১. কেন সঠিক: - 'সুধাকর' শব্দের অর্থ অমৃত বর্ষণকারী বা চাঁদ। এটি মূলত চন্দ্রের সমার্থক শব্দ, সূর্যের নয়। - প্রশ্নানুযায়ী 'সূর্য' শব্দের সমার্থক নয় এমন শব্দ চাওয়া হয়েছে, তাই 'সুধাকর' হলো সঠিক উত্তর। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই সব শব্দ যেগুলোর অর্থ একই বা প্রায় একই রকম হয়ে থাকে। - 'সূর্য' শব্দের বেশ কিছু পরিচিত সমার্থক শব্দ রয়েছে যেমন তপন, ভাস্কর, রবি, দিবাকর, প্রভাকর, মিহির ও মার্তণ্ড। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সুধাকর, শশাঙ্ক, বিধু ও মায়াসুধু। ব্যাখ্যা: সুধাকর চাঁদকে বোঝায় বলে এটি সূর্যের সমার্থক নয় বরং চন্দ্রের সমার্থক। উদাহরণ ২: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ভাস্কর, রবি ও তপন। ব্যাখ্যা: এগুলো সরাসরি সূর্য বা দিবাকরের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রভাকর — এটি সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ আলো প্রদানকারী বা সূর্য। B) দিবাকর — এটি সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ এর অর্থ দিনের বা দিবসের সৃষ্টিকর্তা বা সূর্য। C) সুধাকর — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সূর্যের সমার্থক নয়, বরং এটি চাঁদের সমার্থক শব্দ। D) মিহির — এটি সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ কারণ মিহির অর্থ সূর্য বা আনন্দদাতা। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের সাথে সুধা বা অমৃতের সম্পর্ক আছে, তাই সুধাকর মানে চাঁদ এবং এটি সূর্য নয়। - কর মানে রশ্মি বা আলো, যার আগে প্রভা, দিবা বা মিহির থাকে তা সূর্যকে বোঝায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য ও চন্দ্রের সমার্থক শব্দগুলো একসাথে মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়। - রবি, তপন, ভাস্কর, মিহির দেখলেই সূর্য এবং সুধাকর, শশাঙ্ক, নিশাকর দেখলেই চাঁদ হিসেবে ধরে নিতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0