প্রশ্নের বর্ণনা

a গোলাম হোসেন
b খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকী
c হামদিুল্লাহ খাঁ
d মীর মশাররফ হোসেন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকী ১. কেন সঠিক: - খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকীকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে উনিশ শতকের প্রথম মুসলিম লেখক হিসেবে গণ্য করা হয়। - তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো 'গুলজার-ই-হিন্দ', যা বাংলা সাহিত্যে মুসলিম রচিত প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে একটি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের শুরুতে মুসলিম লেখকদের বাংলা সাহিত্য চর্চার ক্ষেত্রে খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - সে সময়ে মুসলমান লেখকদের মধ্যে আধুনিক চেতনা ও রচনার প্রচলন খুবই কম ছিল, যা তিনি তার সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে শুরু করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকীর 'গুলজার-ই-হিন্দ' ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকের শুরুর দিকে প্রকাশিত মুসলিম রচিত একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ। উদাহরণ ২: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কেন্দ্রিক সাহিত্য চর্চা ব্যাখ্যা: এই সময়ে বাংলা গদ্যের বিকাশ ঘটেছিল যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোলাম হোসেন — ইনি উনিশ শতকের প্রথম মুসলিম লেখক নন এবং এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নন। B) খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) হামদিুল্লাহ খাঁ — ইনি পরবর্তীকালের লেখক এবং এই প্রশ্নের সঠিক সময়ের সঙ্গে মেলে না। D) মীর মশাররফ হোসেন — উনি উনিশ শতকের প্রথমার্ধের নন, বরং উনবিংশ শতকের শেষের দিকে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - উনিশ শতকের প্রথম মুসলিম লেখক বললেই খন্দকার শামসুদ্দিন সিদ্দিকী নামটি মনে রাখবে। - তার 'গুলজার-ই-হিন্দ' গ্রন্থটি তার লেখক পরিচয়ের প্রধান সূত্র। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের আদি ও প্রথম মুসলিম লেখকদের নাম প্রায়ই আসে। - উনিশ শতক এবং বিশ শতকের শুরুর লেখকদের কালক্রম ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0