প্রশ্নের বর্ণনা

a কাহ্ন পা
b লুই পা
c ডাকার্ণব
d মুনিদত্ত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুনিদত্ত ১. কেন সঠিক: - পন্ডিত মুনিদত্ত চর্যাপদের পদগুলোর অর্থ পরিষ্কার করার জন্য সংস্কৃত ভাষায় 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' নামক টীকা বা ভাষ্য রচনা করেছিলেন। - চর্যাপদের মূল পদগুলো অবহট্ঠ বা প্রাচীন বাংলায় রচিত হওয়ায় পরবর্তী সময়ে এর অর্থ অনুধাবনের জন্য টীকার প্রয়োজন হয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে তা প্রকাশ করেন। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন এবং এটি মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদাবলি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টীকার নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। ব্যাখ্যা: মুনিদত্তের লেখা এই টীকামূলক গ্রন্থ থেকেই চর্যাপদের পদের অন্তর্নিহিত অর্থ এবং সাধনপদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী সম্পাদিত গ্রন্থ 'হাজার বছরের পুরান বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা'। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে মুনিদত্তের সংস্কৃত টীকা এবং চর্যাপদের পদগুলো একসঙ্গে স্থান পেয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্ন পা — কাহ্ন পা চর্যাপদের অন্যতম প্রধান ও সর্বাধিক পদ রচয়িতা একজন সিদ্ধাচার্য, তিনি কোনো টীকা লেখেননি। B) লুই পা — লুই পা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং আদি সিদ্ধাচার্য, তিনি টীকার সঙ্গে যুক্ত নন। C) ডাকার্ণব — ডাকার্ণব চর্যাপদের মতো অপর একটি প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত সাহিত্যিক গ্রন্থ, কোনো পন্ডিতের নাম নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - পদ রচনা করেছেন সিদ্ধাচার্যরা, আর টীকার মাধ্যমে তা ব্যাখ্যা করেছেন পন্ডিত মুনিদত্ত। - মুনি ও পন্ডিতরা সাধারণত শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যা বা টীকা লিখে থাকেন, এই সূত্র ধরে মুনিদত্ত নামটি মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের ভাষা সান্ধ্য ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত। - চর্যাপদে মোট পদের সংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0