প্রশ্নের বর্ণনা

a সুনীতি কুমার,১৯২৭
b ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,১৯২৭
c হরপ্রসাদ শাস্ত্রী,১৮২৭
d মুনিদত্ত,১৯১৭
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,১৯২৭ ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের ভাষা ও ধর্মমত নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ১৯২৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা-য় চর্যাপদের ধর্মমত ও ভাষা সম্পর্কে প্রথম বিস্তারিত আলোচনা প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্য নিদর্শন। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা নামে প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের টিকাকার মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকা রচনা করেন। ব্যাখ্যা: এই টীকার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সময়ে পন্ডিতরা চর্যাপদের ধর্মমত ও অর্থ উদ্ধার করেছেন। উদাহরণ ২: ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ODBL গ্রন্থে চর্যাপদের ব্যাকরণ ও ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের ভাষা গবেষণার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুনীতি কুমার,১৯২৭ — সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৭ সালে চর্যাপদের ধর্মমত নিয়ে আলোচনা করেননি, তিনি মূলত ১৯২৬ সালে ওডিবিএল গ্রন্থ প্রকাশ করেছিলেন। B) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ,১৯২৭ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯২৭ সালেই চর্যাপদের ধর্মমত সম্পর্কে প্রথম আলোচনা করেন। C) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী,১৮২৭ — হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮২৭ সালে জন্মগ্রহণ করেননি এবং এই সালে চর্যাপদ নিয়ে কোনো কাজ হয়নি। D) মুনিদত্ত,১৯১৭ — মুনিদত্ত চর্যাপদের সংস্কৃত টীকার রচয়িতা, তিনি ১৯১৭ সালে কোনো আলোচনা করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ আবিষ্কার করেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯১৬ সালে, আর ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯২৭ সালে। সাল দুটি মনে রাখার জন্য ক্রম মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদ সম্পর্কিত সালগুলো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবিষ্কার ১৯১৬ সাল এবং ধর্মমত নিয়ে প্রথম আলোচনা ১৯২৭ সাল—এই দুটি তথ্য প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0