প্রশ্নের বর্ণনা

a কবি লোচন দাসের
b গোবিন্দ দাসের
c দামোদরের
d মুরারিগুপ্তের
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুরারিগুপ্তের ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু মুরারিগুপ্তের ভক্তি ও পাণ্ডিত্য দেখে গভীর স্নেহবশে তাকে 'কবিকর্ণপুর' উপাধি বা নাম প্রদান করেছিলেন। - মুরারিগুপ্ত শ্রীচৈতন্যদেবের অত্যন্ত পার্ষদ ও ভক্ত ছিলেন, যিনি চৈতন্যদেবের জীবনের ওপর সংস্কৃত ভাষায় রচা 'শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃত' মহাকাব্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের শ্রীচৈতন্যদেব ও বৈষ্ণব পদাবলী সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক তথ্য। - মুরারিগুপ্ত ছিলেন শ্রীচৈতন্যের সমসাময়িক শ্রীহট্ট অঞ্চলের একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সংস্কৃত কবি, যিনি চৈতন্যদেবের বাল্যলীলা ও ভক্তজীবন নিয়ে কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বৃন্দাবন দাস ঠাকুরের 'চৈতন্যভাগবত' ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটিতে শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও তার পার্ষদদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়, যা মধ্যযুগের সাহিত্য অধ্যয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উদাহরণ ২: কৃষ্ণদাস কবিরাজের 'শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত' ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব দর্শনের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ, যেখানে মহাপ্রভুর জীবনের শেষ ষোল বছরের বিবরণ রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কবি লোচন দাসের — ইনি মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত পদকর্তা এবং 'চৈতন্যমঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা হলেও চৈতন্যদেব তাকে এই নাম দেননি। B) গোবিন্দ দাসের — গোবিন্দ দাস একজন খ্যাতনামা বৈষ্ণব পদকর্তা ও মহাপ্রভুর সেবক ছিলেন, কিন্তু তাকে চৈতন্যদেব এই উপাধি দেননি। C) দামোদরের — স্বরূপ দামোদর ছিলেন মহাপ্রভুর অত্যন্ত অন্তরঙ্গ পার্ষদ ও শুম্ভসঙ্গী, তবে তাকে এই নামে ভূষিত করা হয়নি। D) মুরারিগুপ্তের — এই অপশনটি সঠিক কারণ মহাপ্রভু নিজেই তাকে আদর করে এই নাম দিয়েছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মনে রাখার কৌশল হলো মুরারিগুপ্তের নাম এবং 'কবিকর্ণপুর' উপাধির সম্পর্কটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা। - বৈষ্ণব সাহিত্যের কবিদের উপাধিগুলো আলাদা একটি তালিকায় লিখে বারবার অনুশীলন করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের কবি ও তাদের রচিত গ্রন্থ বা উপাধি থেকে প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবনের সঙ্গে জড়িত পার্ষদ ও তাদের রচিত গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করা আবশ্যক।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0