প্রশ্নের বর্ণনা

a চাষী জীবনের করুণ চিত্র
b কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন
c তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের চিত্র
d মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎকালীন মুসলিম মধ্যবิต্ত সমাজের চিত্র ১. কেন সঠিক: - এই উপন্যাসে বিশ শতকের প্রথমার্ধের বাঙালি মুসলিম সমাজের রক্ষণশীলতা, কুসংস্কার ও আধুনিক শিক্ষার দ্বন্দ্ব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। - উপন্যাসের মূল চরিত্র আবদুল্লাহ ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও সমাজ ও ধর্মের প্রচলিত সংকীর্ণতার মধ্যে কীভাবে নিষ্পেষিত হয়, তা তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী ইমদাদুল হক একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও শিক্ষাবিদ যিনি বিশ শতকের শুরুতে মুসলিম সমাজের জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। - আবদুল্লাহ তার একমাত্র ও বিখ্যাত উপন্যাস, যা মূলত তৎকালীন মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তত্ত্ব ও সামাজিক সংকটের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি কারবালার ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস হলেও তৎকালীন মুসলিম সমাজের আবেগ ও মনস্তত্ত্বের পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসেও তৎকালীন বাঙালি সমাজের মধ্যবিত্ত পরিবারের মানসিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক চিত্র সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চাষী জীবনের করুণ চিত্র — এই উপন্যাসের মূল বিষয় কৃষিজীবী মানুষের দুঃখ-দশার চিত্রায়ণ নয়, বরং শিক্ষিত মধ্যবিত্তের সংকট। B) কৃষক সমাজের সংগ্রামশীল জীবন — উপন্যাসটি সরাসরি কৃষক সমাজের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়নি। D) মুসলিম জমিদার শ্রেণীর জীবন কাহিনী — আবদুল্লাহ কোনো জমিদার শ্রেণীর জীবন নিয়ে রচিত নয়, বরং একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবীর জীবন সংগ্রাম। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবদুল্লাহ উপন্যাসের লেখক কাজী ইমদাদুল হক এবং এর মূল উপজীব্য মধ্যবিত্ত সমাজের মনস্তাত্ত্বিক চিত্র। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে আবদুল্লাহ হলো মধ্যবিত্ত সমাজের একজন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত প্রতিনিধি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই উপন্যাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের রচয়িতা ও চরিত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0