প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ হাসান আলী
b ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আব্দুল হাই
c মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
d মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গবেষণার ক্ষেত্রে মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান রচিত বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ। - আধুনিক বাংলা সাহিত্যের যুগভিত্তিক ইতিহাস ও বিশদ আলোচনা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য সাহিত্যিক সম্পদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুহম্মদ আব্দুল হাই ছিলেন একাধারে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী যিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে অনেক মৌলিক কাজ করেছেন। - সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও গবেষক যিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ব্যাখ্যা: এটি সামগ্রिकভাবে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগের বিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে। উদাহরণ ২: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত ব্যাখ্যা: এই ধরনের গ্রন্থ আধুনিক যুগের সাহিত্যিক ধারা ও লেখকদের পরিচিতি জানতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ হাসান আলী — এই দুজন লেখক একত্রে এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটি রচনা করেননি। B) ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আব্দুল হাই — ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা তারা নন। C) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা — এই তিনজন মিলে এই গ্রন্থটি রচনা করেননি। D) মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান — এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: - হাই ও আহসান মিলে তৈরি করেছেন সাহিত্যের ইতিবৃত্ত। - আধুনিক যুগের সাহিত্যের ইতিহাস মনে রাখতে লেখকদের নামের প্রথম অংশ মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও রচয়িতা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - মূল গ্রন্থ এবং তার সঠিক লেখকের নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0