প্রশ্নের বর্ণনা

a দীনেশ চন্দ্র সেন
b সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d মুহম্মদ এনমূল হক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দীনেশ চন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - ড. দীনেশ চন্দ্র সেন রচিত বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটিকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। - এই গ্রন্থে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রামাণিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রথম সুনির্বাচিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ড. দীনেশ চন্দ্র সেন ১৯০৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গভাষা ও সাহিত্য গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। - এটি মূলত তাঁর দীর্ঘ গবেষণার ফসল এবং এর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন সবার সামনে উন্মোচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: পূর্ববঙ্গ গীতিকা ব্যাখ্যা: এটিও ড. দীনেশ চন্দ্র সেন সংকলিত ও সম্পাদিত লোকসাহিত্য বিষয়ক একটি বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দীনেশ চন্দ্র সেন — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেছেন। B) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় — তিনি একজন প্রখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী এবং তাঁর বিখ্যাত অবদান ওডিবিএল বা দ্য অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দ্য বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক এবং তাঁর বিখ্যাত সাহিত্য ইতিহাস গ্রন্থ হলো বাংলা সাহিত্যের কথা। D) মুহম্মদ এনামুল হক — তিনি একজন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও গবেষক এবং তিনি সুফী সাধক ও মুসলিম সাহিত্য নিয়ে বেশি কাজ করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - ইতিহাস মানেই দীনেশ চন্দ্র সেনের বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। - প্রথম ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে দীনেশ চন্দ্র সেনের নাম এভাবে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯০৪ সালে। - এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই দীনেশ চন্দ্র সেন ও মুহম্মদ শহীদুল্লাহর গ্রন্থের মধ্যে কনফিউশন তৈরি হয়, তাই ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0