প্রশ্নের বর্ণনা

a মৃত + ময়
b মৃদ্‌ + ময়
c মৃৎ + ময়
d মৃন্‌ + ময়
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মৃৎ + ময় ১. কেন সঠিক: - ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে পদের অন্তস্থিত অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পরে নাসিক্য ধ্বনি থাকলে তা সেই বর্গের নাসিক্য ধ্বনিতে রূপান্তরিত হয়। - এখানে মৃৎ শব্দের ত (অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি) এর পরে ময় শব্দের ম (নাসিক্য ধ্বনি) থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে এবং শব্দটি মৃন্ময় হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো পদের শেষে ক, চ, ট, ত, প থাকলে এবং তার পরে যদি ম বা ন থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি নিজ বর্গের পঞ্চম বা নাসিক্য বর্ণে পরিণত হয়। - এই নিয়মে ত বর্গের নাসিক্য বর্ণ ন হওয়ায় মৃৎ + ময় যুক্ত হয়ে মৃন্ময় গঠিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জগৎ + নাথ = জগন্নাথ ব্যাখ্যা: ত এর পরে ন থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে। উদাহরণ ২: তৎ + ময় = তন্ময় ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত + ময় — মৃত শব্দের অন্তস্থিত ত এর সাথে ময় যুক্ত হওয়ার এই রূপটি ব্যাকরণসম্মত বা প্রমিত সন্ধির নিয়মে সিদ্ধ নয়। B) মৃদ্‌ + ময় — মৃদ্ শব্দের দ একটি ঘোষ ধ্বনি, কিন্তু প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী এখানে অঘোষ ত ধ্বনি থাকার কথা। C) মৃৎ + ময় — এটি সঠিক এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদ যা নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়। D) মৃন্‌ + ময় — মৃন্‌ শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির ক্ষেত্রে প্রথমাংশে মূল শব্দ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ময় যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত প্রথম অংশে খণ্ড ত বা ত থাকে। - যেমন মৃন্ময় আসলে মৃৎ + ময় এবং তন্ময় আসলে তৎ + ময়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে। - নাসিক্যীভবন প্রক্রিয়ার এই নিয়মটি ভালোভাবে আয়ত্ব করলে সমজাতীয় অন্য প্রশ্নগুলো সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0