প্রশ্নের বর্ণনা

a কুদরত-ই-খুদা
b জগদীশচন্দ্র বসু
c আল-মুতি-শরফুদ্দীন
d মেঘনাদ সাহা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আল-মুতি-শরফুদ্দীন ১. কেন সঠিক: - ইউনেসকো প্রদত্ত কলিঙ্গ পুরস্কার বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি পুরস্কার। - বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী আল-মুতি-শরফুদ্দীন বিজ্ঞানকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করার অবদানের জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন। ২. সাহিত্য / তথ্য ব্যাখ্যা: - আল-মুতি-শরফুদ্দীন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞান লেখক ছিলেন। - বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসার ও বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আবদুল্লাহ আল-মুতী রচিত বিজ্ঞান বিষয়ক জনপ্রিয় বই 'সাগরের রহস্য'। ব্যাখ্যা: এই বইটি সাধারণ পাঠকদের মধ্যে সমুদ্রবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: আবদুল্লাহ আল-মুতী রচিত আরেকটি বিখ্যাত বই 'আকাশের কথা'। ব্যাখ্যা: এটি মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কৌতূহল মেটাতে এবং বিজ্ঞানমনস্কতা তৈري করতে লেখা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কুদরত-ই-খুদা — কুদরত-ই-খুদা একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ হলেও তিনি কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেননি। তিনি কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বেশি পরিচিত। B) জগদীশচন্দ্র বসু — জগদীশচন্দ্র বসু বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী ও উদ্ভিদবিদ যিনি উদ্ভিদের প্রাণ আবিষ্কার করেন। তিনি কলিঙ্গ পুরস্কার পাননি। D) মেঘনাদ সাহা — মেঘনাদ সাহা প্রখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী যিনি থার্মাল আয়োনাইজেশন সূত্র আবিষ্কার করেন। তবে তিনি কলিঙ্গ পুরস্কার লাভ করেননি। ৫. মনে রাখার টিপস: - কলিঙ্গ পুরস্কার অর্জিত হয়েছে বিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসারের জন্য। - বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আল-মুতি-শরফুদ্দীনের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাই পুরস্কারের সঙ্গে তাঁর নাম মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশি ব্যক্তিত্বদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - ইউনেসকো প্রদত্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং বাংলাদেশি বিজয়ীদের তালিকা আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0