প্রশ্নের বর্ণনা

a ধীরে চল
b ঘোড়া খুব দ্রুত চলে
c সে পুণ্যবান
d মেটে কলসি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঘোড়া খুব দ্রুত চলে ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে দ্রুত হলো বিশেষণ পদ যা চলে ক্রিয়াকে বিশেষিত করছে এবং খুব হলো আরেকটি পদ যা দ্রুত বিশেষণটিকে আরও বেশি তীব্রভাবে প্রকাশ করছে। - ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যে পদ অন্য কোনো বিশেষণ পদের দোষ গুণ বা অবস্থা তীব্রভাবে প্রকাশ করে তাকে বিশেষণের বিশেষণ বলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ গুণ অবস্থা সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। - বিশেষণ পদ যখন অন্য কোনো বিশেষণ পদের দোষ গুণ বা পরিমাণ প্রকাশ করে তখন তাকে বিশেষণের বিশেষণ বা বিশেষণের অতিশয়ণ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অতিশয় দুঃখের বিষয় এই যে তিনি আর নেই। ব্যাখ্যা: এখানে দুঃখের বিশেষণের পূর্বে অতিশয় পদটি বসে বিশেষণের বিশেষণ হিসেবে কাজ করেছে। উদাহরণ ২: সে অত্যন্ত চালাক ছেলে। ব্যাখ্যা: এখানে চালাক পদটি বিশেষণের কাজ করেছে এবং অত্যন্ত পদটি সেই চালাক গুণের মাত্রা বাড়িয়ে বিশেষণের বিশেষণ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধীরে চল — এই বাক্যে ধীরে হলো ক্রিয়াবিশেষণ কারণ এটি চলার ধরণ বোঝাচ্ছে এবং এটি বিশেষণের বিশেষণ নয়। B) ঘোড়া খুব দ্রুত চলে — এটি সঠিক উত্তর। C) সে পুণ্যবান — এই বাক্যে পুণ্যবান হলো সাধারণ বিশেষণ পদ যা সর্বনাম পদের দোষ গুণ প্রকাশ করছে কিন্তু এখানে কোনো বিশেষণের বিশেষণ নেই। D) মেটে কলসি — এই বাক্যে মেটে হলো নামপদজাত বিশেষণ বা উপাদানবাচক বিশেষণ যা কলসি বিশেষ্যের অবস্থা বোঝাচ্ছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে যদি এমন কোনো শব্দ থাকে যা অন্য একটি বিশেষণ পদের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় তবে সেটিই বিশেষণের বিশেষণ। - যেমন খুব বেশি অত্যন্ত অতি ইত্যাদি শব্দগুলো সাধারণত বিশেষণের বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের বাক্য থেকে পদ নির্ণয় করতে দেওয়া হয়। - ক্রিয়ার বিশেষণ এবং বিশেষণের বিশেষণের পার্থক্য ভালোভাবে বুঝতে হবে কারণ ক্রিয়াকে বিশেষিত করলে তা ক্রিয়াবিশেষণ আর বিশেষণকে বিশেষিত করলে তা বিশেষণের বিশেষণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0