প্রশ্নের বর্ণনা

a খাসমহল
b আকণ্ঠ
c কাঁচামিঠা
d মৌলভীসাহেব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আকণ্ঠ ১. কেন সঠিক: - আকণ্ঠ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ, কারণ এখানে 'আ' উপসর্গ যোগ হয়ে ব্যাপ্তি অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে। - কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে তার অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - আকণ্ঠ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো কণ্ঠ পর্যন্ত এবং এখানে আ উপসর্গটি পর্যন্ত বা ব্যাপ্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আজীবন ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে আ উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাসের এটি একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: আজানুলাম্বিত ব্যাখ্যা: জানু বা হাঁটু পর্যন্ত লম্বিত অর্থে এখানেও অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) খাসমহল — এটি কর্মধারয় সমাস, কারণ এখানে খাস বা বিশেষ মহল বোঝাতে বিশেষ্য ও বিশেষণ মিলে কর্মধারয় সমাস হয়েছে। B) আকণ্ঠ — এটি অব্যয়ীভাব সমাস, তাই এটি কর্মধারয় সমাস নয় এবং এটিই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) কাঁচামিঠা — এটি কর্মধারয় সমাস, কারণ যা কাঁচা তাই মিঠা অর্থে মধ্যপদলোপী বা সাধারণ কর্মধারয় সমাস হয়েছে। D) মৌলভীসাহেব — এটি কর্মধারয় সমাস, কারণ সাহেব যে মৌলভী অর্থে এটি কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত। ৫ মনে রাখার টিপস: - আ, যথা, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে বিবেচনা করবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের ব্যাসবাক্য করে পদের পারস্পরিক সম্পর্ক খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উপসর্গ যোগে গঠিত অনেক শব্দই কর্মধারয় না হয়ে অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরণের ব্যতিক্রমী সমাস প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0