প্রশ্নের বর্ণনা

a যৌগিক
b রূঢ়
c যোগরূঢ়
d মৌলিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রূঢ় ১. কেন সঠিক: - ব্যুৎপত্তিগত বা আক্ষরিক অর্থ না বুঝিয়ে যখন অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে রূঢ় শব্দ বলে। - তৈল শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো তিল যোগ য, যার আক্ষরিক অর্থ তিলজাত যেকোনো স্নেহপদার্থ। - কিন্তু বর্তমানে তৈল শব্দটি শুধু তিল থেকে উৎপন্ন না হয়ে যেকোনো ধরনের তেল বা স্নেহপদার্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গঠন বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ তিন প্রকার, যথা মৌলিক, সাধিত ও রূঢ়। - সাধিত শব্দ আবার তিন ভাগে বিভক্ত, যেমন যৌগিক, রূঢ় ও যোগরূঢ় শব্দ। - রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল অর্থের অনুগামী না হয়ে প্রচলিত অর্থে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রবীণ ব্যাখ্যা: প্রবীণ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ প্রকৃষ্টরূপে বীণা বাজান যিনি, কিন্তু বর্তমানে এর অর্থ বয়োবৃদ্ধ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তি। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গবেষণা শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ গো অন্বেষণ বা গরু খোঁজা, কিন্তু বর্তমানে এর অর্থ কোনো বিষয়ে গভীরভাবে তত্ত্ব অনুসন্ধান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) যৌগিক — যৌগিক শব্দ হলো সেই শব্দ, যার ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম হয়, যেমন গায়ক। B) রূঢ় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তৈল একটি রূঢ় শব্দের উদাহরণ। C) যোগরূঢ় — যোগরূঢ় শব্দ সমাসনিষ্পন্ন হয়ে কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, যেমন পঙ্কজ। D) মৌলিক — মৌলিক শব্দ হলো সেই শব্দ, যাকে ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, যেমন হাত, নাক। ৫. মনে রাখার টিপস: - রূঢ় শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মনে রাখা যে এগুলোর প্রচলিত অর্থ মূল অর্থের চেয়ে আলাদা হয়। - তৈল, প্রবীণ, গবেষণা, সন্দেশ ও হস্তী এই কয়েকটি শব্দ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে পার্থক্য থাকে এমন শব্দ দেখলেই তা রূঢ় শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবে। - এই নিয়মটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0