প্রশ্নের বর্ণনা

a কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c কামিনী রায়
d যতীন্দ্র মোহন বাগচী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - এই পঙ্ক্তিটি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত উপদেশমূলক কবিতা সদভাবশত শতকের অন্তর্ভুক্ত। - পান্থ অর্থ পথিক এবং ক্ষান্ত হও অর্থ থামা বা বিশ্রাম নেওয়া, যা জীবনের দীর্ঘ পথ চলায় ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার উনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক যিনি মূলত নৈতিক ও সামাজিক উপদেশের জন্য পরিচিত। - তার সবচেয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ সদভাবশতশতক যেখানে মানুষের নৈতিক চরিত্র গঠন ও জীবনের নানা উপদেশমূলক পঙ্ক্তি স্থান পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যা ভাগ্যে নাই তা কভু হবে না ব্যাখ্যা: এটিও কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের সদভাবশতশতক কাব্যগ্রন্থের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙ্ক্তি। উদাহরণ ২: আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে আসে নাই কেউ অবনী পরে ব্যাখ্যা: এটি কামিনী রায়ের বিখ্যাত পঙ্ক্তি যা মানুষের পরোপকার ও সামাজিক দায়িত্ববোধকে ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পঙ্ক্তিটি তারই রচনা। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগের সন্ধিক্ষণের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই কবিতার রচয়িতা নন। C) কামিনী রায় — তিনি আধুনিক যুগের প্রথমা উল্লেখযোগ্য নারী কবি হলেও এই পঙ্ক্তিটির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। D) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত হলেও এই বিখ্যাত নৈতিক উপদেশমূলক পঙ্ক্তিটি তার লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পান্থ ক্ষান্ত হও দেখলে কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারকে মনে রাখবে কারণ তার উপদেশমূলক কবিতাতেই এমন প্রশ্নবাচক ও জীবনঘনিষ্ঠ পঙ্ক্তি বেশি থাকে। - সদভাবশতশতক গ্রন্থটির নাম মনে রাখলে এমন অনেক বিখ্যাত পঙ্ক্তি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত পঙ্ক্তি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে। - কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার বললেই তার সদভাবশতশতক গ্রন্থ এবং এই পঙ্ক্তিটি মাথায় রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0