প্রশ্নের বর্ণনা

a রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
b হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
c নবীনচন্দ্র সেন
d যোগীন্দ্রনাথ বসু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - 'বৃত্তসংহার' মহাকাব্যের রচয়িতা ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। - বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্য রচনায় মাইকেল মধুসূদন দত্তের পর যিনি বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন, তিনি হলেন হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বাংলা কাব্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের অন্যতম প্রধান প্রবক্তা। - তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত মহাকাব্য ও কাব্যের মধ্যে 'ত্রসংহার', 'বৃত্রসংহার', 'ছায়াময়ী' এবং 'ভারতসঙ্গীত' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। উদাহরণ ২: মহাশ্মশান ব্যাখ্যা: এটি কায়কেয়াদ রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য যা ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও ঔপন্যাসিক হলেও 'বৃত্তসংহার' মহাকাব্যের রচয়িতা নন। B) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি 'বৃত্তসংহার' মহাকাব্য রচনা করেছেন। C) নবীনচন্দ্র সেন — তিনি বিখ্যাত মহাকাব্য 'পলাশীর যুদ্ধ' ও 'রৈবতক' রচনা করেছেন, 'বৃত্তসংহার' নয়। D) যোগীন্দ্রনাথ বসু — তিনি মূলত শিশুসাহিত্যিক ও জীবনীকার হিসেবে পরিচিত, মহাকাব্য রচয়িতা নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - হেমচন্দ্র মানেই বৃত্ৰসংহার মনে রাখবে। হেমচন্দ্রের প্রধান কীর্তি হলো এই পৌরাণিক মহাকাব্যটি। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মহাকাব্য এবং এর রচয়িতাদের নাম প্রায়ই আসে। তাই হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'বৃত্রসংহার' এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0