প্রশ্নের বর্ণনা

a সরল
b জটিল
c হ্যাঁ-বাচক
d যৌগিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জটিল ১. কেন সঠিক: যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক নির্ভরশীল বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে। এখানে 'যদি' এবং 'তব' অব্যয় জোড় বেঁধে শর্ত প্রকাশ করেছে, যেখানে প্রথম অংশটি নির্ভরশীল এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রধান অংশ। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: গঠনগত দিক থেকে বাংলা বাক্য প্রধানত তিন প্রকার, যথা সরল বাক্য, জটিল বাক্য এবং যৌগিক বাক্য। জটিল বাক্যে সাধারণত যে-সে, যদি-তবে, যিনি-তিনি, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যদি পরিশ্রম কর তবে সফল হবে। ব্যাখ্যা: এখানে 'যদি' এবং 'তবে' অব্যয় যুক্ত হয়ে শর্ত বোঝাচ্ছে, যা জটিল বাক্যের প্রধান লক্ষণ। উদাহরণ ২: যিনি সাবান ব্যবহার করেন তিনি পরিষ্কার থাকেন। ব্যাখ্যা: এখানে 'যিনি' এবং 'তিনি' সাপেক্ষ সর্বনাম ব্যবহার করে বাক্যটিকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সরল — যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে তাকে সরল বাক্য বলে, কিন্তু এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে। B) জটিল — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাক্যটিতে সাপেক্ষ অব্যয়ের সাহায্যে দুটি খণ্ডবাক্য পরস্পর নির্ভরশীলভাবে যুক্ত আছে। C) হ্যাঁ-বাচক — বাক্যটি হ্যাঁ-বাচক বা না-বাচক অর্থের দিক থেকে বিচার্য, কিন্তু গঠনের দিক থেকে এটি একটি জটিল বাক্য। D) যৌগিক — যে বাক্যে দুটি বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য কোনো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে তাকে যৌগিক বাক্য বলে, কিন্তু এখানে অংশ দুটি স্বাধীন নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: বাক্যের শুরুতে যদি, যিনি, যে, যা থাকলে এবং মাঝে তবে, তিনি, সে, তা থাকলে চোখ বন্ধ করে তাকে জটিল বাক্য হিসেবে চিহ্নিত করবে। সাপেক্ষ অব্যয় বা সর্বনামের জোড় জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্যের গঠন নির্ণয় করার প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্যের সংযোগকারী শব্দগুলো ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে। বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে রূপান্তর করার নিয়মগুলো চর্চা করলে এই অধ্যায়ের সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0