প্রশ্নের বর্ণনা

a রবী + ন্দ্র
b রবি + ঈন্দ্র
c রবি + ইন্দ্র
d রব + ইন্দ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) রবি + ইন্দ্র ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী প্রথম শব্দের শেষে থাকা হ্রস্ব ই অথবা দীর্ঘ ই কারের পর দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে হ্রস্ব ই বা দীর্ঘ ই কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয়। এই দীর্ঘ ঈ কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়। রবি শব্দের অন্তে ই এবং ইন্দ্র শব্দের আদিতে ই মিলে দীর্ঘ ঈ হয়েছে। ফলে রবি যোগ ইন্দ্র মিলে রবীন্দ্র শব্দটি গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: স্বরের সঙ্গে স্বরের মিলনকে স্বরসন্ধি বলা হয়। হ্রস্ব ই কিংবা দীর্ঘ ই কারের পর হ্রস্ব ই কিংবা দীর্ঘ ই কার থাকলে উভয় মিলে দীর্ঘ ঈ কার হয় এবং তা যুক্ত হয়। সন্ধি শব্দের অর্থ মিলন, অর্থাৎ দুটি ধ্বনির মিলনকে সন্ধি বলে। এটি পদের উচ্চারণ সহজ করে এবং ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্রতি যোগ ইক্ষা = প্রতিক্ষা ব্যাখ্যা: এখানে প্রতি শব্দের ই এবং ইক্ষা শব্দের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মুনি যোগ ইন্দ্র = মুনীন্দ্র ব্যাখ্যা: এখানে মুনি শব্দের ই এবং ইন্দ্র শব্দের ই মিলে দীর্ঘ ঈ কার সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবী যোগ ন্দ্র — রবী শব্দটিতে দীর্ঘ ঈ ব্যবহৃত হয়েছে এবং ন্দ্র কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ নয়। B) রবি যোগ ঈন্দ্র — ঈন্দ্র বানানটিতে দীর্ঘ ঈ ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। D) রব যোগ ইন্দ্র — রব শব্দের শেষে কোনো ই কার নেই এবং এটি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না। ৫ মনে রাখার টিপস: দীর্ঘ ঈ কার সাধনের ক্ষেত্রে ই যোগ ই অথবা ঈ যোগ ঈ মিলে সর্বদা দীর্ঘ ঈ হয়। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষামূলক এমসিকিউ সহজেই সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়মের সন্ধি প্রায়ই আসে। তাই শব্দের মূল বানান এবং ই কার বা উ কারের সঠিক অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0