প্রশ্নের বর্ণনা

a বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
b রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
c প্রমথ চৌধুরী
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - কালান্তর শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - এটি মূলত বিশ শতকের তৃতীয় ও চতুর্থ দশকে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধের একটি বিশিষ্ট সংকলন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য জগতের এক প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার। - কালান্তর গ্রন্থে তাঁর ১৯২৬ থেকে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত বিভিন্ন সমাজচিন্তা ও রাষ্ট্রদর্শন মূলক প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সভ্যতার সংকট ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও একটি বিখ্যাত মননশীল ও সংকটকালীন প্রবন্ধ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: কালান্তর প্রবন্ধের রচনাকাল ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটি ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ ভারতের নানা রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বাংলা উপন্যাসের জনক এবং বিখ্যাত প্রাবন্ধিক হলেও কালান্তর তাঁর লেখা নয়। B) রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী — তিনি প্রখ্যাত বিজ্ঞান লেখক ও প্রাবন্ধিক, তবে কালান্তর তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়। C) প্রমথ চৌধুরী — তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও প্রমথ চৌধুরী সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক হলেও কালান্তরের রচয়িতা নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক কারণ কালান্তর তাঁরই একটি প্রখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন। ৫. মনে রাখার টিপস: - রবীন্দ্রনাথের প্রবন্ধ মনে রাখার একটি উপায় হলো সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে তাঁর লেখা কালজয়ী চিন্তার বইটির নাম কালান্তর। - সময়ের পরিবর্তনের সাথে চিন্তার রূপান্তর বোঝাতেই তিনি এই নামকরণ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রবন্ধ গ্রন্থ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থগুলির মধ্যে বিচিত্র প্রবন্ধ, সমাজ ও স্বদেশ এবং কালান্তর নামগুলো বারবার পরীক্ষাতে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0