প্রশ্নের বর্ণনা

a দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
b কাজী নজরুল ইসলাম
c যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য
d রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য ১. কেন সঠিক: - 'বাংলার বৈষ্ণব ভাবাপন্ন মুসলমান কবি' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন গবেষক ও সাহিত্যিক যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য। - বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগে যেসব মুসলিম কবি বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করেছেন, তাদের পরিচিতি ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য একজন খ্যাতনামা গবেষক যিনি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা করেছেন। - মুসলিম কবিদের রচিত বৈষ্ণব পদাবলী বাংলা সাহিত্যের একটি স্বতন্ত্র ও গুরুত্বপূর্ণ ধারা, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ সুলতান রচিত 'নবীবংশ' এবং 'রূল কিয়ামত'। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম সাহিত্যিকদের লেখা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: দৌলত কাজী রচিত 'সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী'। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি প্রধান কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বাংলা উপনিষদের অনুবাদক ও ব্রাহ্মসমাজের সংস্কারক হলেও এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। B) কাজী নজরুল ইসলাম — তিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হলেও এই গবেষণা গ্রন্থের লেখক নন। D) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — তিনি বিশ্বকবি এবং বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী হলেও এই নির্দিষ্ট গবেষণা গ্রন্থটি তার লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে গবেষণা এবং মুসলিম কবিদের অবদান খুঁজতে গেলে যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্যের নাম মনে রাখতে হবে। - গবেষক হিসেবে তিনি মধ্যযুগের বহু অজানা মুসলিম কবির পদ উদ্ধার করেছেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের অবদান থেকে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - গবেষণামূলক এই ধরনের গ্রন্থগুলোর নাম ও লেখকের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0