প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজা বিক্রমাদিত্যের
b রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
c রাজা ঈশ্বরচন্দ্রের
d রাজা চন্দ্রগুপ্তের
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের ১. কেন সঠিক: - কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সভাকবি ছিলেন। - মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর বিখ্যাত অমরাবতী কাব্য 'অন্নদামঙ্গল' রচনা করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর অষ্টাদশ শতকের মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও মঙ্গলকাব্যের শেষ কবি। - রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে 'রায়গুণাকর' উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর সভাকবি হিসেবে তিনি রাজসম্মান লাভ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্রের অনুরোধে রচিত এবং এতে বিদ্যাসুন্দর অংশটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। উদাহরণ ২: সত্যপ্রসাদ সেনগুপ্ত রচিত ভারতচন্দ্র জীবনী। ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থে কবির জীবনকাল ও রাজসভার বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজা বিক্রমাদিত্যের — রাজা বিক্রমাদিত্য প্রাচীন ভারতের উজ্জয়িনীর রাজা ছিলেন এবং তাঁর সভাকবি ছিলেন মহাকবি কালিদাস। B) রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের — এই অপশনটি সঠিক কারণ ভারতচন্দ্র তাঁরই সভাকবি ছিলেন। C) রাজা ঈশ্বরচন্দ্রের — রাজা ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত একজন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্য সাধক ছিলেন, কিন্তু তাঁর সভায় ভারতচন্দ্র ছিলেন না। D) রাজা চন্দ্রগুপ্তের — রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য বা গুপ্ত বংশের রাজাদের সভাকবি ছিলেন অন্য ব্যক্তিবর্গ যেমন কৌটিল্য বা হরিষেণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভারতচন্দ্র নামের সঙ্গে কৃষ্ণচন্দ্রের নাম যুক্ত করতে মনে রাখবে কৃষ্ণের রাজ্যে গুণী ভারত রত্ন হিসেবে ছিলেন। - উপাধি এবং মহারাজার নাম একসঙ্গে মনে রাখার জন্য কৃষ্ণচন্দ্র আর রায়গুণাকর শব্দটি মিলিয়ে পড়তে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাজসভায় পশিত কবিদের নাম বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - অষ্টাদশ শতকের সাহিত্য এবং ভারতচন্দ্রের উপাধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখলে এ জাতীয় প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0