প্রশ্নের বর্ণনা

a চৈতন্য-চরিতামৃত
b প্রেমামৃত
c কড়চা
d রামচরিত
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চৈতন্য-চরিতামৃত ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও মহাপ্রভুর লীলাভিত্তিক সংস্কৃত ভাষায় রচিত মহাকাব্যের ক্ষেত্রে এটি প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। - প্রশ্নটিতে সংস্কৃত ভাষায় জীবনী মহাকাব্য হিসেবে খ্যাত গ্রন্থ জানতে চাওয়া হয়েছে এবং কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী রচিত বাংলা কাব্যের উৎস বা প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এটি চৈতন্যলীলার সংস্কৃত জীবনী মহাকাব্য নামে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জীবনীকার ও কবি। - চৈতন্য-চরিতামৃত বাংলা ভাষায় রচিত হলেও এর মূলে রয়েছে সংস্কৃত ভাষার বিভিন্ন জীবনীগ্রন্থ এবং কড়চা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য ব্যাখ্যা: এটি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন ও কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: পদ্মাবতী ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ আলাওল রচিত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক কাব্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) চৈতন্য-চরিতামৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো ভিন্নতা নেই। B) প্রেমামৃত — এটি কোনো সংস্কৃত জীবনী মহাকাব্য হিসেবে খ্যাত বা ব্যাপকভাবে পরিচিত সাহিত্যকর্ম নয়। C) কড়চা — এটি মূলত গোবিন্দদাস অধিকারীর লেখা চৈতন্যদেবের দৈনন্দিন জীবনের স্মৃতিকথা বা টীকা, কোনো সংস্কৃত মহাকাব্য নয়। D) রামচরিত — এটি মূলত পাল রাজবংশের আমলে সন্ধ্যাাকর নন্দী রচিত সংস্কৃত ভাষার একটি শ্লেষাত্মক কাব্যগ্রন্থ যা রামচন্দ্র ও রাজা রামপালের ইতিহাস নির্দেশ করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সংস্কৃত জীবনী মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত বললে চৈতন্য-চরিতামৃত বা এর উৎসগত রূপের কথা মাথায় রাখবে। - মধ্যযুগের বৈষ্ণব সাহিত্যের জীবনীগ্রন্থগুলো ভালোভাবে পড়লে এই প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের সাহিত্যের লেখক ও গ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - মূল গ্রন্থ এবং তার রচয়িতার নাম মনে রাখা চাকরি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0