প্রশ্নের বর্ণনা

a বেগম রোকেয়া
b মহাশ্বেতা দেবী
c স্বর্ণকুমারী দেবী
d রিজিয়া রহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্বর্ণকুমারী দেবী ১. কেন সঠিক: স্বর্ণকুমারী দেবী বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর রচিত দীপনির্বাণ উপন্যাসটি ১৮৭৬ সালে প্রকাশিত হয়, যা কোনো নারীর লেখা প্রথম বাংলা উপন্যাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সন্তান এবং মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি ও সম্পাদক ছিলেন এবং দীর্ঘকাল সাহিত্য পরিষদ পত্রিকার সম্পাদনা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দীপনির্বাণ ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবীর প্রথম এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা রচিত উপন্যাস। উদাহরণ ২: ছিন্নমস্তা ব্যাখ্যা: এটি স্বর্ণকুমারী দেবী রচিত আরেকটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেগম রোকেয়া — তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নারীবাদী লেখক ও প্রাবন্ধিক হলেও প্রথম ঔপন্যাসিক নন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো সুলতানার স্বপ্ন এবং পদ্মরাগ। B) মহাশ্বেতা দেবী — তিনি আধুনিক ভারতীয় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও অধিকার আন্দোলনকর্মী। তিনি বিংশ শতাব্দীর লেখক, তাই প্রথম ঔপন্যাসিক নন। D) রিজিয়া রহমান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ও আধুনিক যুগের নারী ঔপন্যাসিক। তাঁর রচিত রক্তক্ষরণ ও বং থেকে বঙ্গ ইত্যাদি বিখ্যাত উপন্যাস থাকলেও তিনি প্রথম ঔপন্যাসিক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বর্ণকুমারী দেবীর নাম মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে স্বর্ণ বা সোনা মূল্যবান, তাই প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের মর্যাদাও তাঁর নামের মতোই স্বর্ণোজ্জ্বল। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী। এই দুটি তথ্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই গুলিয়ে যায়, তাই পার্থক্য স্পষ্টভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0