প্রশ্নের বর্ণনা

a বাচ্যার্থ
b গৌণার্থ
c সরলার্থ
d লক্ষ্যার্থ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বাচ্যার্থ ১. কেন সঠিক: শব্দের আভিধানিক অর্থ বা সরাসরি প্রকাশিত অর্থকে ব্যাকরণের ভাষায় বাচ্যার্থ বা মুখ্যার্থ বলা হয়। এটি কোনো শব্দ শোনার পর তার অভিধানসম্মত যে সাধারণ অর্থ মনে আসে, তা নির্দেশ করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: শব্দের শক্তির দিক থেকে অর্থের প্রধানত তিনটি রূপ রয়েছে, যথা: বাচ্যার্থ বা অভিধা, লক্ষ্যার্থ বা লক্ষণ এবং ব্যঙ্গার্থ বা ব্যঞ্জনা। অভিধা শক্তির মাধ্যমে শব্দের যে সরাসরি অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকেই বাচ্যার্থ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নদী শব্দের আভিধানিক অর্থ জলপ্রবাহ। এটি শোনার সাথে সাথেই আমরা স্বাভাবিক বাচ্যার্থ বুঝি। ব্যাখ্যা: এখানে নদী বলতে সরাসরি একটি প্রাকৃতিক জলধারাকে বোঝানো হয়েছে, যার কোনো রূপক অর্থ নেই। উদাহরণ ২: গোলাপ একটি ফুল। এখানে গোলাপ শব্দের মূল বাচ্যার্থ একটি নির্দিষ্ট পুষ্পকে বোঝায়। ব্যাখ্যা: ফুল হিসেবে গোলাপের এই প্রকাশ সরাসরি আভিধানিক বা বাচ্যার্থের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাচ্যার্থ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি শব্দের আভিধানিক বা সরাসরি অর্থ প্রকাশ করে। B) গৌণার্থ — এটি মুখ্য অর্থের অনুবর্তী বা গৌণ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, যা সরাসরি আভিধানিক অর্থ নয়। C) সরলার্থ — এটি কোনো ব্যাকরণগত সুনির্দিষ্ট পারিভাষিক অর্থ নয়, বরং সাধারণভাবে সহজ অর্থ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) লক্ষ্যার্থ — এটি শব্দের মূল আভিধানিক অর্থের পরিবর্তে লক্ষ বা সাদৃশ্যের ওপর ভিত্তি করে উৎপন্ন অর্থ প্রকাশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: অভিধানের আ আ নিয়ে মনে রাখবে আভিধানিক অর্থ মানেই বাচ্যার্থ বা অভিধা। লক্ষ্যার্থ ও ব্যঙ্গার্থ হলো শব্দের অন্য রূপক বা গৌণ অর্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: শব্দের অর্থের রূপভেদের ওপর বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বাচ্যার্থ, লক্ষ্যার্থ এবং ব্যঙ্গার্থের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0