প্রশ্নের বর্ণনা

a আকাশ, বাতাস, চাঁদ
b আধ, মাছ, তামা
c ডাক, বুক, পেট
d লুঙ্গি, লিচু, পাতা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আকাশ, বাতাস, চাঁদ ১. কেন সঠিক: উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে তদ্ভব শব্দ হলো সেই সব শব্দ, যা প্রাকৃত বা অপভ্রংশ হয়ে পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ভাষা থেকে প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে যে শব্দগুলো পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলে। সংস্কৃত শব্দ থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে প্রাকৃতের পরিবর্তিত রূপ হয়ে এই শব্দগুলো বিবর্তিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চামড়া ব্যাখ্যা: চামড়া শব্দটি সংস্কৃত চর্মকার থেকে প্রাকৃত চম্মআর হয়ে তদ্ভব হিসেবে বাংলায় এসেছে। উদাহরণ ২: হাত ব্যাখ্যা: হাত শব্দটি সংস্কৃত হস্ত থেকে প্রাকৃত হথ হয়ে তদ্ভব শব্দ হিসেবে বাংলায় স্থান পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আকাশ, বাতাস, চাঁদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এগুলো তদ্ভব শব্দের সঠিক উদাহরণ। B) আধ, মাছ, তামা — এখানে আধ ও মাছ তদ্ভব হলেও তামা শব্দটি দেশি শব্দ। C) ডাক, বুক, পেট — এখানে ডাক ও বুক তদ্ভব হলেও পেট শব্দ একটি দেশি শব্দ। D) লুঙ্গি, লিচু, পাতা — এখানে পাতা তদ্ভব হলেও লুঙ্গি ও লিচু যথাক্রমে মালয়েশীয় ও চীনা বিদেশি শব্দ। ৫. মনে রাখার টিপস: তদ্ভব শব্দ চেনার জন্য শব্দের রূপ পরিবর্তনের ধারা মনে রাখতে হবে। সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত হয়ে যে শব্দগুলো সহজ ও ভিন্ন রূপ নিয়েছে, সেগুলোর বেশিরভাগই তদ্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উৎস অনুসারে শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। বিশেষ করে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দগুলো আলাদা করতে পারা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0