প্রশ্নের বর্ণনা

a সাহিত্যের ভাষা
b পাঠ্যপুস্তকের ভাষা
c অঞ্চল বিশেষের মানুষের মুখের ভাষা
d লেখ্য ভাষা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অঞ্চল বিশেষের মানুষের মুখের ভাষা ১. কেন সঠিক: - অঞ্চল বিশেষের মানুষের মুখের ভাষাকে উপভাষা বলা হয়, যা ভৌগোলিক বা সামাজিক কারণে প্রমিত ভাষা থেকে কিছুটা আলাদা হয়। - মানুষের দৈনন্দিন কথ্যরূপ হিসেবে উপভাষা নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই অংশে ভাষার আঞ্চলিক বৈচিত্র্য আলোচিত হয়। - ভৌগোলিক সীমানা, নদী বা পাহাড়ের ব্যবধানের কারণে একই ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলে যে রূপের সৃষ্টি হয় তাকে উপভাষা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বরিশালের আঞ্চলিক ভাষা ব্যাখ্যা: বরিশালের মানুষের মুখের কথ্যরূপটি প্রমিত বাংলা থেকে আলাদা হওয়ায় এটি একটি স্বতন্ত্র উপভাষা। উদাহরণ ২: রংপুরের আঞ্চলিক ভাষা ব্যাখ্যা: উত্তরবঙ্গের রংপুরের মানুষের দৈনন্দিন কথ্যভাষা বা বৈচিত্র্যময় রূপটি বাংলা ভাষারই একটি উপভাষা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সাহিত্যের ভাষা — এটি সমগ্র জাতির লেখার মাধ্যম এবং প্রমিত রূপ, যা অঞ্চলের গণ্ডি পেরিয়ে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। B) পাঠ্যপুস্তকের ভাষা — এটি দেশের সর্বজনগ্রাহ্য প্রমিত ভাষা, যা শিক্ষাব্যবস্থায় ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার করা হয়। C) অঞ্চল বিশেষের মানুষের মুখের ভাষা — এটি সঠিক কারণ উপভাষা বলতে নির্দিষ্ট অঞ্চলের কথ্যভাষাকে বোঝায়। D) লেখ্য ভাষা — এটি স্থায়ী রূপ এবং লিখিত যোগাযোগের মাধ্যম, যা কথ্য উপভাষা থেকে আলাদা ও সুশৃঙ্খল। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপভাষা মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উপ মানে নিচে বা ছোট অংশ, অর্থাৎ মূল ভাষার একটি আঞ্চলিক বা ছোট রূপ। - ভাষার যে রূপটি অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়, তাকেই উপভাষা বা ডায়ালেক্ট হিসেবে চিনে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষা ও উপভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, বিশেষ করে ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উপভাষা কয়টি তা মনে রাখবে। - বাংলা ভাষার উপভাষা মূলত পাঁচটি প্রধান ভাগে বিভক্ত, যেমন রাঢ়ী, ঝাড়খণ্ডী, বঙ্গী, কামরূপী ও বরেন্দ্রী।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0