প্রশ্নের বর্ণনা

a সম্পর্কহীন
b বহিরঙ্গ
c ঘনিষ্ঠ
d শত্রু
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বহিরঙ্গ ১. কেন সঠিক: - অন্তরঙ্গ শব্দের অর্থ গভীর সম্পর্কযুক্ত, ভেতরের বা আত্মিক। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে বহিরঙ্গ শব্দটি, যার অর্থ বাইরের বা উপর্যুক্ত অংশ। - বিপরীতার্থক শব্দ মূলত দুটি শব্দের পারস্পরিক বিপরীত ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে যা ব্যাকরণের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ গঠনে অনেক সময় দেশি শব্দের সঙ্গে দেশি শব্দ এবং তৎসম শব্দের সঙ্গে তৎসম শব্দ মিল রাখা হয়। - অন্তরঙ্গ এবং বহিরঙ্গ উভয় শব্দই তৎসম বা সংস্কৃত শব্দমূল থেকে এসেছে যা সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অঙ্গাঙ্গী ও স্বাধীন ব্যাখ্যা: অন্তরঙ্গ শব্দের কাছাকাছি ভাব প্রকাশ করলেও বহিরঙ্গ তার নিখুঁত বিপরীত হিসেবে পরিগণিত হয়। উদাহরণ ২: দেশি ও বিদেশি ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎস ও ভাবার্থ মিল রেখে সঠিক বিপরীত শব্দ নির্বাচন করতে হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্পর্কহীন — এই শব্দটি অন্তরঙ্গ শব্দের সরাসরি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রমিত বাংলা ব্যাকরণে স্বীকৃত নয়। B) বহিরঙ্গ — এটি অন্তরঙ্গ শব্দের সঠিক ও প্রমিত বিপরীতার্থক শব্দ। C) ঘনিষ্ঠ — এটি অন্তরঙ্গ শব্দের সমার্থক শব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ নয়। D) শত্রু — এটি মিত্র শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, অন্তরঙ্গ শব্দের বিপরীত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - অন্তরঙ্গ শব্দের ভেতরে থাকা অন্ত অংশটি ভেতরের ভাব প্রকাশ করে। - অন্যদিকে বহিরঙ্গ শব্দের বহি অংশটি বাইরের ভাব প্রকাশ করে তাই এদের মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করতে হয়। - সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে শব্দের মূল উৎস ও অর্থ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0