প্রশ্নের বর্ণনা

a কাহৃপা
b লুইপা
c সরহপা
d শবরপা
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: বাংলা সাহিত্য (কবি ও কবিতা) সঠিক উত্তর: B) লুইপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের আবিষ্কর্তা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের প্রথম ও আদি পদটি লুইপার রচনা বলে চিহ্নিত করেছেন। - ডক্টর সুকুমার সেন ও ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতেও লুইপাকেই চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - লুইপা চর্যাপদের সবচেয়ে প্রাচীন এবং প্রথিতযশা কবি হিসেবে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে স্বীকৃত। - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও কাব্যগ্রন্থ যা হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের প্রথম পদটি লুইপার রচনা যার প্রারম্ভিক লাইন হলো কায় তরুবর পঞ্চ বি ডাল। ব্যাখ্যা: এই পদটিতে মানবদেহকে একটি গাছের সঙ্গে তুলনা করে রূপক অর্থে সহজিয়া সাধনার তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে। উদাহরণ ২: লুইপাকে অনেক ঐতিহাসিক ও গবেষক আদিপাদ বা আদি কবি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ব্যাখ্যা: তার পদ সংখ্যা বাংলা সাহিত্যের সূচনালগ্ন এবং প্রাচীন জনপদের ভাষা অনুধাবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহৃপা — ইনি চর্যাপদের সর্বাধিক সংখ্যক অর্থাৎ চব্বিশটি পদ রচনা করেছেন কিন্তু আদি কবি নন। B) লুইপা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি চর্যাপদের প্রথম পদ রচয়িতা ও সর্বসম্মতভাবে আদি কবি হিসেবে স্বীকৃত। C) সরহপা — ইনি চর্যাপদের অন্যতম প্রবীণ ও প্রভাবশালী কবি হলেও আদি কবি নন। D) শবরপা — ইনি চর্যাপদের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি দুটি পদ রচনা করেছেন তবে আদি কবি হিসেবে পরিগণিত হন না। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের আদি কবি মনে রাখতে লুইপার নামের শুরুতে ল অক্ষরটি প্রথম বা প্রধান নির্দেশক হিসেবে ধরতে পারো। লুইপা শব্দটি দিয়েই চর্যাপদের প্রথম পদ এবং আদি কবির নাম সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও ডক্টর সুকুমার সেনের মতে সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ রয়েছে। চর্যাপদের ভাষা হলো সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা যা বাংলা, ওড়িয়া ও মৈথিলি ভাষার কাছাকাছি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0