প্রশ্নের বর্ণনা

a শব্দের পরিবর্ধন করা
b শব্দকে দুর্বোধ্য করা
c শব্দের স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা আনয়ন
d শব্দকে পরিশীলিত করা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শব্দের স্বাভাবিক উচ্চারণের সহজপ্রবণতা আনয়ন ১. কেন সঠিক: - পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনির মিলন বা উচ্চারণের দ্রুততার কারণে যে পরিবর্তন ঘটে, তা মূলত শব্দ উচ্চারণ সহজ করার জন্য করা হয়। - সন্ধির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য হলো উচ্চারণের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখা এবং দ্রুত কথা বলার সময় মুখের জড়তা দূর করা। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সন্ধির সংজ্ঞা: পাশাপাশি দুটি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে সন্ধি বলে। এটি উচ্চারণের ক্ষেত্রে দ্রুততা ও সাবলীলতা আনে। - সন্ধির প্রয়োজনীয়তা: সন্ধি শব্দের গঠন সহজ করে এবং উচ্চারণে অতিরিক্ত আয়াস বা কষ্ট দূর করে মুখকে সাবলীল রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয় ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং আ মিলে একটি আ কার হয়েছে, যা উচ্চারণে দুটি শব্দের মাঝখানের ব্যবধান কমিয়ে সহজ করেছে। উদাহরণ ২: সৎ + চিন্তা = সচিন্তা ব্যাখ্যা: ত এবং চ এর মিলনে উচ্চারণ প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শব্দের পরিবর্ধন করা — সন্ধি শব্দকে বড় বা পরিবর্ধিত করে না, বরং ধ্বনির মিলনের মাধ্যমে অনেক সময় শব্দকে সংক্ষিপ্ত বা সহজ করে। B) শব্দকে দুর্বোধ্য করা — সন্ধির উদ্দেশ্য শব্দকে জটিল বা দুর্বোধ্য করা নয়, বরং মানুষের মুখে উচ্চারণের পথ সহজ করা। D) শব্দকে পরিশীলিত করা — সন্ধি শব্দকে অলংকৃত বা পরিশীলিত করার সরাসরি কোনো মাধ্যম নয়, এর মূল কাজ উচ্চারণ সহজ করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - সন্ধি মানেই সহজ উচ্চারণ। উচ্চারণের সুবিধা বা সহজপ্রবণতা কথাটি অপশনে থাকলেই সেটি সন্ধির প্রধান উদ্দেশ্য হিসেবে ধরে নেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি থেকে প্রায়ই এই তাত্ত্বিক প্রশ্নটি আসে। সন্ধির মূল উদ্দেশ্য ধ্বনির মাধুর্য রক্ষা করা ও উচ্চারণ সহজ করা।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0