প্রশ্নের বর্ণনা

a ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
b পদের দ্বিরুক্তি
c ছড়ার শব্দ
d শব্দের দ্বিরুক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি ১. কেন সঠিক: যে শব্দগুলো কোনো কিছুর কাল্পনিক বা বাস্তব ধ্বনির অনুকরণে তৈরি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে এবং একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহার হলে তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বলে। এখানে 'টাপুর টুপুর' বৃষ্টি পড়ার শব্দের অনুকরণে গঠিত হয়েছে এবং তা পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির সৃষ্টি করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে দ্বিরুক্তি শব্দের অর্থ দুই বার উক্ত হয়েছে যা এমন শব্দ। অর্থের গভীরতা বা তীব্রতা বোঝাতে কোনো শব্দ বা শব্দগুচ্ছ পরপর দুবার ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে দ্বিরুক্তি বলে। শব্দের গঠনের ওপর ভিত্তি করে দ্বিরুক্তি প্রধানত তিন প্রকার যেমন শব্দের দ্বিরুক্তি, পদের দ্বিরুক্তি এবং ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঝমঝম বৃষ্টি পড়ছে। ব্যাখ্যা: ঝমঝম শব্দটি বৃষ্টির পতনের ধ্বনির অনুকরণে তৈরি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির একটি চমৎকার উদাহরণ। উদাহরণ ২: ঘেউ ঘেউ কুত্তা ডাকে। ব্যাখ্যা: ঘেউ ঘেউ শব্দটি কুকুরের ডাকের ধ্বনির অনুকরণে গঠিত ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি — এটি সঠিক উত্তর কারণ টাপুর টুপুর বৃষ্টির শব্দের অনুকরণে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দ। B) পদের দ্বিরুক্তি — এটি ভুল কারণ পদ বা বাক্যের অন্তর্গত শব্দ পরপর দুবার বসে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে পদের দ্বিরুক্তি হয়, যেমন ঘরে ঘরে মানুষ। C) ছড়ার শব্দ — এটি ভুল কারণ শব্দগুলো কোনো নির্দিষ্ট ছড়ার অংশ নয়, বরং ধ্বনির অনুকরণকারী শব্দ হিসেবে ব্যাকরণে স্বীকৃত। D) শব্দের দ্বিরুক্তি — এটি ভুল কারণ শব্দের দ্বিরুক্তিতে অর্থপূর্ণ শব্দ দুবার বসে, যেমন ভালো ভালো আম, কিন্তু টাপুর টুপুর কোনো স্বাধীন অর্থপূর্ণ শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের মধ্যে যদি আওয়াজ, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণ বোঝায় তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি হিসেবে চিহ্নিত করবে। বৃষ্টির শব্দ, পাখির ডাক বা বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ সবসময় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি থেকে প্রশ্ন আসে যেমন কচ কচ, মরমর বা পট পট শব্দ কোন ধরনের দ্বিরুক্তি। শব্দটি উচ্চারণ করার সময় যদি কোনো শব্দের কাল্পনিক ধ্বনি বা আওয়াজ পাওয়া যায়, তবে তা সবসময় ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0