প্রশ্নের বর্ণনা

a বাক্যের মধ্যে
b শব্দের পরে
c বাক্যের পূর্বে
d শব্দের পূর্বে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শব্দের পূর্বে ১. কেন সঠিক: উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে কোনো পদে ব্যবহৃত হয় না, বরং অন্য কোনো শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে। উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন ঘটিয়ে থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে উপসর্গ হলো শব্দগঠনের অন্যতম একটি প্রধান মাধ্যম যা মূল শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। বাংলা ভাষায় মোট একুশটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং বিশটি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হার শব্দের পূর্বে প্র উপসর্গ যুক্ত হয়ে প্রহার শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: হার শব্দের অর্থ পরাজয় বা গহনা, কিন্তু প্র শব্দের পূর্বে বসার কারণে এর অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গিয়ে প্রহার বা প্রহার করা বোঝায়। উদাহরণ ২: কাজ শব্দের পূর্বে কু উপসর্গ যুক্ত হয়ে কুকাজ শব্দ গঠিত হয়। ব্যাখ্যা: কাজ একটি সাধারণ শব্দ, কিন্তু এর পূর্বে কু উপসর্গ যোগ করায় এটি একটি খারাপ বা মন্দ কাজ অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপشن কেন ভুল: A) বাক্যের মধ্যে — উপসর্গ কখনো বিচ্ছিন্নভাবে বা একা বাক্যের মধ্যে বসে না, এটি সবসময় শব্দের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। B) শব্দের পরে — শব্দের পরে যা যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বা বিভক্তি বলা হয়, উপসর্গ কদাপি শব্দের পরে বসে না। C) বাক্যের পূর্বে — বাক্য তৈরি হয় শব্দ দিয়ে, তাই উপসর্গ বাক্যের পূর্বে না বসে নির্দিষ্ট পদের বা শব্দের পূর্বে বসে। D) শব্দের পূর্বে — এটি সঠিক তথ্য কারণ উপসর্গ সবসময় মূল শব্দের ঠিক আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপসর্গ শব্দটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো উপসর্গের উ এবং পূর্বে শব্দের প যুক্ত করে উপ শব্দটি মনে রাখা, অর্থাৎ উপসর্গ সবসময় শব্দের পূর্বে বসে। ব্যাকরণে উপসর্গ চেনার জন্য শব্দের শুরুর অংশটুকু আলাদা করে দেখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ থেকে প্রশ্ন আসে যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ কতটি বা সংস্কৃতে কয়টি। শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠনকারী এই উপাদানগুলোর সঠিক অবস্থান মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0