প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রমথ চৌধুরী
b রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
c বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
d শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সাহিত্যিক রচনা থেকে নেওয়া হয়েছে। - মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং মানবজীবনের গভীর রহস্য উন্মোচনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখনীতে নারী চরিত্র ও মানবী রূপের এমন নান্দনিক প্রকাশ দেখা যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা, যিনি কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস এবং নাটকসহ সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় অনন্য অবদান রেখেছেন। - এই ধরনের সাহিত্যিক উদ্ধৃতিভিত্তিক প্রশ্নগুলো মূলত লেখকের বিখ্যাত উপন্যাস, ছোটগল্প বা প্রবন্ধের অন্তর্নিহিত দর্শন বুঝতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শেষের কবিতা ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত একটি উপন্যাস, যেখানে মানুষের মন ও প্রেমের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: গীতালি ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে আধ্যাত্মিকতা ও মানবপ্রেমের অনন্য রূপ ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি মূলত বাংলা চলিত রীতির প্রবক্তা এবং প্রাবন্ধিক, যার লেখার ধরন তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক হলেও এই উদ্ধৃতির সঙ্গে তার লেখার মূল সুর মেলে না। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — এই অপশনটি সঠিক এবং এই উদ্ধৃতির উৎস এই সাহিত্যিকের সৃষ্টিজগতের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। C) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি বাংলা উপন্যাসের জনক, যার উপন্যাসের ভাষা ও রোমান্টিক ভাবধারা এই দার্শনিক উদ্ধৃতির সঙ্গে সরাসরি মেলে না। D) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — ইনি সমাজসচেতন কথাসাহিত্যিক হলেও এই বিশেষ দার্শনিক ও কাব্যিক ভাবনার উদ্ধৃতিটি তার কোনো প্রধান রচনার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানবজীবন ও নারীর রহস্য নিয়ে লেখা গভীর ও দার্শনিক ভাবনার উদ্ধৃতি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে থাকলে সাধারণত তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্ম থেকে আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। - বিখ্যাত সাহিত্যিকদের অমর বাণীগুলো মনে রাখতে তাদের প্রধান উপন্যাস ও প্রবন্ধের বিখ্যাত সংলাপগুলো বারবার চর্চা করতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্র ও সাহিত্যিক উদ্ধৃতি থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই মূল পাঠের বিখ্যাত লাইনগুলো চিহ্নিত করে পড়তে হবে। - লেখকের নামের সঙ্গে তার রচনার মূল সুর মেলানোর দক্ষতা অর্জন করলে এ ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0