প্রশ্নের বর্ণনা

a আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
b গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
c ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
d শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ ১. কেন সঠিক: - শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর প্রভাবে বাংলার সুলতানি আমলের বিশিষ্ট শাসক আলাউদ্দীন হুসেন শাহের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও প্রভাবশালী দুই কর্মচারী রূপ ও সনাতন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করেন। - সুলতানের এই দুই উচ্চপদস্থ কর্মচারী সরকারি চাকরি ত্যাগ করে শ্রীচৈতন্যদেবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বৈষ্ণব পদাবলীতে ও ভক্তি আন্দোলনে নিজেদের সমর্পণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য এবং বৈষ্ণব ধর্মের ইতিহাসে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসা গী ও ঐতিহাসিক। - আলাউদ্দীন হুসেন শাহের আমলেই বাংলায় বৈষ্ণব ধর্ম ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিস্তার ঘটে এবং হোসেন শাহী আমলকে বাংলার সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রূপ গোস্বামী ও সনাতন গোস্বামী ব্যাখ্যা: এরা দুজনেই সুলতান আলাউদ্দীন হুসেন শাহের মন্ত্রী ও সচিব পদ ছেড়ে শ্রীচৈতন্যদেবের নিকট দীক্ষা নেন। উদাহরণ ২: শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ব্যাখ্যা: কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত এই মহাকাব্যে হুসেন শাহের কর্মচারীদের দীক্ষা গ্রহণের বিস্তারিত ঐতিহাসিক বিবরণ পাওয়া যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তার আমলেই তার বিশিষ্ট কর্মচারীরা চৈতন্যদেবের নিকট দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। B) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ — এই সুলতানের সঙ্গে শ্রীচৈতন্যদেবের দীক্ষা গ্রহণের কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই কারণ তিনি অন্য সময়ের সুলতান ছিলেন। C) ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ — তিনি বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রথম দিকের শাসক ছিলেন, যা চৈতন্যদেবের সমসাময়িক যুগের অনেক আগের ঘটনা। D) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ — তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও চৈতন্যের বহু শতাব্দী আগে বাংলা শাসন করেছিলেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - হুসেন শাহের নাম মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর সহজে মনে রাখা সম্ভব। - চৈতন্যদেবের সমসাময়িক একমাত্র বিখ্যাত সুলতান ছিলেন আলাউদ্দীন হুসেন শাহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের বাংলার সুলতানি আমল ও শ্রীচৈতন্যদেবের সময়কাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। - হোসেন শাহী আমলে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ব্যাপক বিকাশ ঘটেছিল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0