প্রশ্নের বর্ণনা

a সুফিয়া কামাল
b জসীম উদ্দীন
c আহসান হাবীব
d শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) আহসান হাবীব ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত পঙক্তিটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আহসান হাবীবের বিখ্যাত একটি কবিতার অংশ। - তার কবিতায় গ্রামীণ জীবন, নদীমাতৃক বাংলার রূপ এবং মানুষের কষ্ট ও সংগ্রামের নিখুঁত চিত্রফুটে ওঠে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আহসান হাবীব ১৯১৭ সালে পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - তিনি মূলত আধুনিক মননশীলতার কবি হলেও তার কবিতায় স্বদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর মমতা প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রাত্রি শেষ হলে যে পাখি গান গায় ব্যাখ্যা: এটি আহসান হাবীবের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার কাব্যশৈলীর অনন্য নিদর্শন। উদাহরণ ২: ছায়াহরিণ ব্যাখ্যা: এটিও কবি আহসান হাবীবের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যার মাধ্যমে তিনি আধুনিক কাব্যে বিশেষ স্থান অধিকার করেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল মূলত প্রকৃতিপ্রেম, নারীমুক্তি ও স্বাধিকার আন্দোলনের কবি, তার লেখার ধরন এই পঙক্তির সঙ্গে মেলে না। B) জসীম উদ্দীন — জসীম উদ্দীন পল্লীকবি নামে পরিচিত হলেও নির্দিষ্ট এই পঙক্তিটি তার কোনো বিখ্যাত কাব্যের অন্তর্ভুক্ত নয়। D) শামসুর রাহমান — শামসুর রাহমান নাগরিক জীবনের কবি ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নানা মাত্রার কবিতা লিখেছেন, তাই এই পঙক্তি তার নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নদী ও পাহাড়তলীর টানের মতো আবেগঘন গ্রামীণ পঙক্তি দেখলে আহসান হাবীবের কথা মনে রাখবে। - কবির জন্মস্থান পিরোজপুরের নদী ও প্রকৃতির প্রভাব তার অনেক লেখায় স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত কবিতার চরণ বা পঙক্তি তুলে দিয়ে কবির নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি আহসান হাবীবের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো যেমন রাত্রি শেষ হলে এবং ছায়াহরিণ ভালোভাবে মনে রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0