প্রশ্নের বর্ণনা

a ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
b ভারতচন্দ্র রায়
c রাম রাম বসু
d শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ভারতচন্দ্র রায় ১. কেন সঠিক: - বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে চিহ্নিত করা হয়। - মধ্যযুগের শেষভাগে আধুনিক যুগের প্রাক্কালে তিনি তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতচন্দ্র রায় অষ্টাদশ শতকের একজন বিখ্যাত কবি এবং রাজকবি ছিলেন। - তাঁর বিখ্যাত কাব্য হলো অন্নদামঙ্গল, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্নদামঙ্গল কাব্য ব্যাখ্যা: এটি ভারতচন্দ্র রায়ের অমর সৃষ্টি এবং মধ্যযুগের শেষ উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: বিদ্যাসুন্দর কাব্য ব্যাখ্যা: এটি অন্নদামঙ্গল কাব্যেরই একটি অংশ যা মধ্যযুগের প্রেমের কাব্যের ধারাকে প্রতিনিধিত্ব করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি আধুনিক যুগের কবি ও সাংবাদিক। বি) ভারতচন্দ্র রায় — এটি সঠিক উত্তর। C) রাম রাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত এবং গদ্যলেখক। D) শাহ মুহম্মদ سগীর — তিনি মধ্যযুগের প্রাচীনতম কবিগণের একজন, শেষ কবি নন। ৫. মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের সমাপ্তি এবং আধুনিক যুগের শুরুর সংযোগ রক্ষা করেছিলেন ভারতচন্দ্র রায়। - এভাবে মনে রাখতে পারো মধ্যযুগের শেষ বিন্দু হলেন ভারতচন্দ্র রায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের যুগ বিভাজনে মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে ভারতচন্দ্র রায়ের নাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। - অষ্টাদশ শতকের সামাজিক ও সাহিত্যিক পরিবেশ বুঝতে এই কবির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0