প্রশ্নের বর্ণনা

a শীত + ত
b শীতা + ত
c শীত + ঋত
d শীতা + ঋত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) শীত + ঋত ১. কেন সঠিক: - 'শীতার্ত' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো শীত + ঋত। এটি স্বরসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম বা নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির অন্তর্ভুক্ত। - এখানে 'শীত' শব্দের শেষ অ-কার এবং 'ঋত' শব্দের শুরুর ঋ-কার মিলে 'আর্' (ার) কারে রূপান্তরিত হয়ে পূর্ববর্ণের সাথে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ থাকলে উভয় মিলে আর্ হয় এবং তা রেফ রূপে পরবর্তী বর্ণে যুক্ত হয়। - শীত যোগ ঋত মিলে শীতার্ত গঠিত হয়েছে, যেখানে ত-এর সাথে আ যুক্ত হয়ে তা এবং ঋ এর প্রভাবে রেফ যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক্ষুধা + ঋত = ক্ষুধার্থ ব্যাখ্যা: ক্ষুধার্ত শব্দটির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে, যেখানে ক্ষুধা শব্দের আ এবং ঋত শব্দের ঋ মিলে আর্ হয়েছে। উদাহরণ ২: মহা + ঋষি = মহর্ষি ব্যাখ্যা: মহা শব্দের আ এবং ঋষি শব্দের ঋ মিলে আর্ বা অর্ হয়ে মহর্ষি গঠিত হয়েছে, যা গুণ সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শীত + ত — এই নিয়মে 'শীতত' হতে পারে, কিন্তু 'শীতার্ত' শব্দের শেষে 'ত' এর সাথে 'ঋত' অংশ থাকার কারণে এটি সঠিক নয়। B) শীতা + ত — 'শীতা' বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলায় নেই, তাই এই সন্ধি বিচ্ছেদটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক ও অর্থপূর্ণ নয়। D) শীতা + ঋত — এখানে প্রথম শব্দ 'শীতা' ভুল, কারণ মূল শব্দটি হলো 'শীত' যার সাথে 'ঋত' যুক্ত হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - শেষে 'ঋত' থাকলে এবং তার আগে অ বা আ থাকলে তা মিলে 'আর্' হয়, যেমন শীত যোগ ঋত সমান শীতার্ত। - এই ধরনের শব্দগুলোতে রেফ যুক্ত রূপ দেখা যায়, যা চেনার সহজ উপায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধিগুলো খুব বেশি আসে। - এই নিয়মের শব্দগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় দ্রুত সঠিক উত্তর নির্বাচন করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0