প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজেন্দ্রলাল মিত্র
b সম্রাট কনিষ্ক
c পাণিনি
d শীলভদ্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পাণিনি ১. কেন সঠিক: ক্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে বিশ্বখ্যাত সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ পাণিনি ব্যাকরণের সূত্র নির্দিষ্ট করে দেন। তার রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থটি অষ্টাধ্যায়ী নামে পরিচিত যা পৃথিবীর প্রাচীনতম ব্যাকরণ গ্রন্থের অন্যতম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: পাণিনি প্রাচীন ভারতের একজন মহান ভাষা বিজ্ঞানী ও ব্যাকরণবিদ ছিলেন। তার রচিত অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থে সংস্কৃত ভাষার ধ্বনি রূপ ও শব্দ গঠন প্রক্রিয়া বৈজ্ঞানিক উপায়ে সূত্রাকারে বিন্যস্ত করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী ব্যাখ্যা: এটি প্রাচীন সংস্কৃত ভাষার ওপর রচিত একটি প্রামাণ্য ও বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থ। উদাহরণ ২: টমাস লিনাক্স ব্যাখ্যা: তিনি ইংরেজি ব্যাকরণের একজন প্রখ্যাত পণ্ডিত যিনি পরবর্তী যুগে ব্যাকরণ চর্চায় অবদান রাখেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজেন্দ্রলাল মিত্র — তিনি একজন বাঙালি ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতত্ত্ববিদ ছিলেন। ব্যাকরণের প্রাচীন সূত্র প্রণয়নের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। B) সম্রাট কনিষ্ক — তিনি কুশান বংশের একজন বিখ্যাত সম্রাট ছিলেন। তার রাজত্বকালে বৌদ্ধধর্মের বিস্তার ঘটেছিল কিন্তু তিনি ব্যাকরণবিদ ছিলেন না। D) শীলভদ্র — তিনি নালন্দা মহাবিহারের একজন প্রখ্যাত আচার্য ও পণ্ডিত ছিলেন। তিনি বৌদ্ধ দর্শন শিক্ষাদানের জন্য পরিচিত। ৫. মনে রাখার টিপস: প্রাচীন ব্যাকরণের কথা মনে এলেই পাণিনির নাম স্মরণ করবে। প্রাচীন সূত্র ও ব্যাকরণ মানেই পাণিনি এবং তার অষ্টাধ্যায়ী গ্রন্থ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিশ্বের প্রাচীন ব্যাকরণ বা ব্যাকরণবিদ সম্পর্কে প্রশ্ন আসলে পাণিনির নাম এবং তার গ্রন্থের নাম মনে রাখা জরুরি। একই ধরনের প্রশ্নে লেখকের নাম বা গ্রন্থের নাম মিলিয়ে উত্তর করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0