প্রশ্নের বর্ণনা

a তুষারের ন্যায় শুভ্র
b তুষার যেমন শুভ্র
c তুষার শুভ্রের ন্যায়
d শুভ্র তুষারের ন্যায়
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) তুষারের ন্যায় শুভ্র ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি কর্মধারয় সমাসের একটি বিশেষ নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে যেখানে উপমান ও উপমেয়ের তুলনা বোঝানো হয়েছে। - এখানে তুষার একটি প্রাকৃতিক বস্তু এবং শুভ্র তার একটি সাধারণ গুণ যা তুলনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সাধারণ ধর্মবাচক পদের সাথে উপমান বা বস্তুবাচক পদের যে সমাস হয় তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। - এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানে ন্যায় পদটি ব্যবহৃত হয় এবং সমস্ত পদে তার লোপ পায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের ন্যায় শুভ্র। এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের একটি সুন্দর উদাহরণ। উদাহরণ ২: শশব্যস্ত ব্যাখ্যা: শশের ন্যায় ব্যস্ত। এটিও উপমান কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুসারে গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) তুষারের ন্যায় শুভ্র — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক এবং প্রশ্নের নির্দিষ্ট চাহিদা পূরণ করে। B) তুষার যেমন শুভ্র — এটি কর্মধারয় সমাসের প্রচলিত ও প্রমিত ব্যাসবাক্যের কাঠামোর সাথে মিলছে না। C) তুষার শুভ্রের ন্যায় — এখানে পদের ক্রম ভুল রয়েছে কারণ উপমান পদটি আগে বসার নিয়ম। D) শুভ্র তুষারের ন্যায় — এই ব্যাসবাক্যে পদের বিন্যাস ভুল এবং ব্যাকরণসম্মত রূপ রক্ষা করেনি। ৫. মনে রাখার টিপস: - উপমান কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝখানে ন্যায় শব্দটি থাকে এবং তুলনাটি সত্য বা বাস্তব প্রকৃতির সাথে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় থাকলে তা উপমিত এবং মাঝখানে ন্যায় থাকলে তা উপমান কর্মধারয় সমাস হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0